• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধিতে পরিবর্তন আনছে নির্বাচন কমিশন

পাকিস্তানের উপনির্বাচনে একাই ৩৩টি আসনে লড়বে ইমরান খান

Reporter Name / ১৭৫ Time View
Update : সোমবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৩

পাকিস্তানের আসন্ন উপনির্বাচনে একাই ৩৩টি আসনে লড়বেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের চেয়ারম্যান ও দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। দেশটিতে এ আগামী ১৬ মার্চ এ উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। খবর জিও নিউজের। 

এর মাধ্যমে নতুন নজির গড়তে যাচ্ছেন ইমরান খান। পাকিস্তানের ইতিহাসে এই প্রথম এতগুলো আসনে লড়ছেন কোনো ব্যক্তি। 

রোববার লাহোরে পিটিআইয়ের মূল কমিটির এক বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে দলটির ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মাহমুদ কোরেশি এ খবর দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা উপনির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং ইমরান খান সব আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। 

এর আগে গত বছরের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে ৮টি আসন থেকে নির্বাচন করেছিলেন পিটিআই চেয়ারম্যান। এর মধ্যে ৬টিতেই জয় পেয়েছিলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, স্পিকার রাজা পারভেজ আশরাফ পিটিআই সাংসদদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করার পর আসনগুলো শূন্য হয়।

পিটিআই নেতা ফাওয়াদ চৌধুরী ইতোমধ্যে এ মাসের শুরুতে সব শূন্য জাতীয় পরিষদের আসনে উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বিষয়ে পার্টি প্রধানের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছিলেন। ১৭ জানুয়ারি টুইটারে একটি বিবৃতিতে বলেছিলেন, তেহরিক-ই-ইনসাফ সব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবং ইমরান খান এই ৩৩টি আসনে তেহরিক-ই-ইনসাফের প্রার্থী হবেন।

গত বছর ইমরান খানের প্রধানমন্ত্বিত্ব চলে যাওয়ার পর এপ্রিলে গণহারে জাতীয় পরিষদ থেকে পদত্যাগ করে পিটিআইয়ের সাংসদরা। তবে জুলাইয়ে কেবল ১১ জনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন স্পিকার। আর কয়েক দিন পর মোট ১১৩ জনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়।  


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।