• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি

কাটাখালী পৌরসভার বরখাস্তকৃত মেয়র আব্বাস আলীর জামিন মঞ্জুর

Reporter Name / ১৬৬ Time View
Update : বুধবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২২

রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার বরখাস্ত হওয়া মেয়র আব্বাস আলীর বিরুদ্ধে হওয়া সব মামলায় জামিন পেয়েছেন। এখন তার মুক্তিতে আপাতত কোনো বাধা নেই। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বের হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার সকালে রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জিয়াউর রহমান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দুই মামলায় আব্বাস আলীর জামিন মঞ্জর করেন।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আব্বাস আলীর আইনজীবী পারভেজ তৌফিক জাহিদী জামিনের আবেদন করেছিলেন। আসামি আব্বাস আলীর উপস্থিতিতেই আদালতে জামিন শুনানি হয়। পরে আদালত জামিন মঞ্জুর করেন।

জানা গেছে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দুটি মামলার মধ্যে একটির বাদী রাজশাহী সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর আবদুল মমিন। গত বছরের নভেম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কটূক্তির অডিও ক্লিপ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তৎকালীন মেয়র আব্বাসের বিরুদ্ধে রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া থানায় এ মামলা করেন তিনি।

অপর মামলার বাদী কাটাখালী পৌর যুবলীগের আহবায়ক জনি ইসলাম। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে কটূক্তির অভিযোগে কাটাখালী থানায় ওই মামলা করেন তিনি। আব্বাস গ্রেফতারের পর তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে আরও একটি মামলা হয়েছিল। ওই মামলায় আগেই জামিন পেয়েছেন তিনি। আব্বাস আলীর বিরুদ্ধে থাকা মোট তিনটি মামলাতেই জামিন পেলেন তিনি।

কাটাখালীতে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন নিয়ে আপত্তিকর কথা বলার অডিও ছড়িয়ে পড়ে গত বছরের নভেম্বরে। একটি ঘরোয়া বৈঠকে আলাপচারিতার ওই অডিও ছড়িয়ে পড়লে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে আব্বাস আলী আত্মগোপন করেন। পরে ঢাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে স্থানীয় সরকার বিভাগ প্রথমে সাময়িক এবং পরে স্থায়ীভাবে মেয়রের পদ থেকে আব্বাস আলীকে বরখাস্ত করে। পরপর দুবার নৌকা নিয়ে পৌরসভার মেয়র হওয়া আব্বাস আলী এ ঘটনার পর আওয়ামী লীগের দলীয় পদও হারিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।