• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা

‘মাদক ব্যবসায়ীরা দেশ ও জাতির শত্রু’ আইজিপি

Reporter Name / ১৫৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২২

বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেছেন, আগুন সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশের আইনশৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। আবারো যদি এ ধরনের আগুন সন্ত্রাসের চেষ্টা করা হয় তাহলে আইনশৃংখলা বাহিনী তা রুখে দিতে প্রস্তুত আছে।
রাজশাহীতে মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বুধবার দুপুরে রাজশাহী পুলিশ লাইন্সে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে আইজিপি আরো বলেন, ‘মাদক ব্যবসায়ীরা দেশ ও জাতির শত্রু। পুলিশ বাহিনীতে কোনো মাদকসেবীর চাকরি হবে না। এমন কি সরকারী কোনো চাকরিই হবে না। তাই কোনো চাকরিপ্রার্থী মাদকাসক্ত কি ন-তা যাচাইয়ে ডোপ টেস্টও করা হচ্ছে। সভা-সমাবেশের মাধ্যমে সচেতন করে মাদক ব্যবসায়ীদের ভাল পথে ফিরে আসার অনুরোধ জানানো হচ্ছে। কিন্তু এতেও যদি তারা মাদক পরিহার না করে তাহলে আভিযান দলের মাধ্যমে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে’।
সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেছেন, ‘আদালত প্রাঙ্গণ থেকে জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় পুলিশের কোনো গাফিলতি ছিল না কি না- তা তদন্তের পর জানা যাবে। তিনিটি তদন্ত কমিটি কাজ করা হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পেলে ঘটনাটি সম্পর্কে পরিস্কার হওয়া যাবে’। রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন থানায় একের পর এক ককটেল উদ্ধারের বিষয়ে আইজিপি বলেন, ‘আমরা আভিযানিক কার্যক্রম চালাচ্ছি। যেখানে যা পাচ্ছি, উদ্ধার করছি। পেশাদারিত্বেও সাথে পুলিশ কাজ করছে। তবে পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা হলে আইনানুগভাবে মোকাবেলা করা হবে’।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার, বিভাগীয় কমিশনার জিএসএম জাফরউল্লাহ্, রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি আব্দুল বাতেন, জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল, মহানগর কমিউনিটি পুলিশিংয়ের আহবায়ক প্রফেসর ড. আব্দুল খালেক ও রাজশাহী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল। পরে আইজিপি পুলিশ লাইনে অবস্থিত পুলিশ মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর পরিদর্শন করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।