• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

শোডাউন দেখতে আমি এখানে আসিনি : ওবায়দুল কাদের

Reporter Name / ১৫০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর, ২০২২

রাজধানীর ঢাকেশ্বরী পূজামণ্ডপে গিয়ে দলীয় নেতা–কর্মীদের উচ্ছৃঙ্খল আচরণে ক্ষুব্ধ হয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। কার কত শক্তি আছে, তা দেখানোর প্রতিযোগিতায় নামলে তাঁদের ভবিষ্যতে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেছেন তিনি।

আজ সোমবার সন্ধ্যায় পূজামণ্ডপে গিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আপনাদের শোডাউন দেখতে আমি এখানে আসিনি। সব জায়গায় করেন। আমি ঢুকতেই পারছিলাম না। যারা এই সব শোডাউন করা থেকে সংশোধন না হবে, আগামী নির্বাচনে নতুন লোককে মনোনয়ন দেব। শোডাউনের লোককে দেব না। কী করবেন? আমি তো নেত্রীকে রিপোর্ট করব, কী কী হচ্ছে এখানে।’

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, তিনি এখানে এসেছেন হিন্দুধর্মাবলম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানাতে। কারও লাল গোলাপ শুভেচ্ছা নিতে আসেননি। ক্ষুব্ধ কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘এই দুর্গাপূজার মধ্যেও লালবাগের গ্রুপ পলিটিকস আপনারা ঢোকালেন কেন?’

তিযোগিতায় নামলে তাঁদের ভবিষ্যতে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেছেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘হিন্দুরা এখানে পূজা করতে আসছে, অনেক মা-বোনেরা আসছে, এদের সামনে আপনারা এখানে মল্লযুদ্ধ দেখাচ্ছেন? কার কত শক্তি জেনারেল সেক্রেটারিকে দেখাতে এসেছেন? আমি এগুলো দেখতে চাই না। সবার এসিআর জমা আছে। কাজেই শোডাউন দেখাইয়া ফায়দা লুটবেন, এটা মনে করার কোনো কারণ নেই।’

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ইঙ্গিত করে ওবায়দুল কাদের বলেন, পূজা দেখতে এসে এক নেতা হম্বিতম্বি করে গেছেন। আইনের শাসনের গল্প বলেছেন। যাঁরা ক্ষমতায় থাকতে আইনের শাসনকে পদদলিত করেছিলেন। রক্তাক্ত করেছেন গণতন্ত্রকে। তাঁরাই এখন গণতন্ত্র আর আইনের শাসনের কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে যারা বিতর্কিত করেছে ২০০১ সালে, তারাই এখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা বলে। কিন্তু গলিত লাশ তত্ত্বাবধায়ক আর ফিরে


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।