• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধিতে পরিবর্তন আনছে নির্বাচন কমিশন

এখনো সংস্কার হয়নি নির্মাণের ২ সপ্তাহ পর ভেঙে যাওয়া রাজশাহীর বাঘা উপজেলার সেই রাস্তা

Reporter Name / ১৫২ Time View
Update : শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২
রাস্তা সংস্কার

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌরবাজারের পূর্বদিকের বাইপাস সড়ক নির্মাণের দুই সপ্তাহ পর ভেঙে যাওয়া সেই রাস্তা বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

৫ সেপ্টেম্বর রাস্তার অর্ধেকের বেশি অংশ ভেঙে যাওয়ায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সেটি।

জানা যায়, আপেল মাহমুদের মোড় হতে তোজাম্মেল হকের ওষুধের দোকান পর্যন্ত এ রাস্তা তৈরি করা হয়। পরে পৌরসভার পক্ষ থেকে রাস্তা পাকাকরণ করা হয়। এ সময় একটি পুকুরপাড় বেঁধে পৌরসভার পক্ষে দুই সপ্তাহ আগে ২০০ মিটার রাস্তা নির্মাণ করা হয়। এর মধ্যেই রাস্তার অর্ধেকের বেশি অংশ দেবে ভেঙে গেছে। তবে পুকুরপাড় ঠিক রয়েছে।

এ পুকুরপাড়ের ওপর একটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ রাস্তা দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা চলমান। এ রাস্তা দিয়ে শত শত শিক্ষার্থী ও অভিভাবক আড়ানী ফুলমননেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও আড়ানী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়কেন্দ্রে যাতাযাত করছে। এ ছাড়া আড়ানী ডিগ্রি কলেজ, মহিলা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীরা এ রাস্তা দিয়েই চলাচল করে। বর্তমানে এ রাস্তাটি অত্যন্ত ঝুঁকিতে রয়েছে।

এ বিষয়ে আড়ানী প্যারাগন কিন্ডারগার্টেনের পরিচালক সাইফুল ইসলাম নান্নু বলেন, রাস্তা ভেঙে যাওয়ার কারণে চলাচল করতে ভয় লাগছে। মূল রাস্তা যানজটের কারণে বাইপাস রাস্তা দিয়ে আড়ানী উচ্চ বিদ্যালয়, বালিকা বিদ্যালয়, মহিলা কলেজ, ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীরা বেশি চলাচল করে। রাস্তাটির অবস্থা বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে।

রাস্তার ঠিকাদার শহিদুল ইসলাম বলেন, পুকুরপাড় বেঁধে রাস্তাটি সংস্কার করা হয়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে এমন ঘটনাটি ঘটেছে। রাস্তাটির বিষয়ে পৌরসভার পক্ষ থেকে অবগত করা হয়েছে। রাস্তার নিচে পানি থাকায় কাজ করা যাচ্ছে না। পানি শুকিয়ে গেলে শিগগিরই রাস্তা ঠিক করে দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে আড়ানী পৌর মেয়র মুক্তার আলী বলেন, রাস্তাটির বিষয়ে তাৎক্ষণিক ঠিকাদারকে অবগত করা হয়েছিল। ঠিকাদারকে এখনো বিল দেওয়া হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।