• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানির মৃত্যু নিশ্চিত করলো ইরান: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজিকে আইনি নোটিশ রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানা এলাকা হতে ২১টি ককটেল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৫। টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু আজ বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ভয়াবহ ড্রোন ও রকেট হামলা

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার (ইউপি) চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামের বিরুদ্ধে চাল আত্মসাতের অভিযোগ

Reporter Name / ১৭৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান আবুল বাশার। তিনি বলেন, বর্তমান চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম ২০১৬ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রথমবার তিনি নৌকার প্রার্থী হয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে দ্বিতীয়বার তিনি নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ৮ সেপ্টেম্বর জিআরের ৬ মেট্রিক টন চাল উত্তোলন করে বিতরণ করেন। এর মধ্যে ইউনিয়নের ১৯৬ জনের মধ্যে ৩ দশমিক ৫ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করেন। সেখানে প্রত্যেকের মধ্যে ২০ কেজি করে কম চাল বিতরণ করা হয়। বাকি ২ দশমিক ৫ মেট্রিক টন চাল ইউনিয়ন পরিষদের গুদামে রাখা হয়। পরে সেখান থেকে তিনি তাঁর গাড়িচালকের মাধ্যমে ১ হাজার ৭০০ কেজি চাল বিক্রি করেন। এই চালের মূল্য আনুমানিক ৬৮ হাজার টাকা।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ১ আগস্ট ইউপি সদস্য কামরুজ্জামানকে মাদক মামলায় জামিন পেতে তাঁর মাকে মৃত দেখিয়ে মৃত্যুসনদ দেন রিয়াজুল ইসলাম। পরে এ বিষয়ে জানাজানি হলে ২০ দিন পর পুনরায় জীবিত থাকার সনদ দেওয়া হয়। চেয়ারম্যান রিয়াজুল ২০১৬ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ১২ জন ইউপি সদস্যের ৩৫ মাসের বেতন ১৮ লাখ ৪৮ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ বিষয়ে তাঁরা জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন।

ইউপি সদস্যরা জানান, চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামের বিরুদ্ধে এলাকায় ভুয়া দলিল করে পুকুর দখলের অভিযোগ রয়েছে। এ অভিযোগে সেখানকার কৃষকেরা মানববন্ধন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত দিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে এলাকায় কৃষিজমিতে জোর করে পুকুর খননের অভিযোগ আছে। তাঁর বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির মামলাও রয়েছে।

ইউপি সদস্য আবুল বাশার বলেন, তাঁরা ইতিমধ্যে চাল আত্মসাৎসহ অন্যান্য অভিযোগ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক বরাবর জানিয়েছেন। খুব শিগগির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে তাঁরা অনাস্থা আনবেন।

এসব অভিযোগের বিষয়ে চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আসা চাল আত্মসাতের অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। তিনি সব চাল বিতরণ করেছেন। ইউপি সদস্যরা তাঁর কাছে না এসে নানা জায়গায় অভিযোগ দিচ্ছেন।

জামিনের জন্য ইউপি সদস্যের মাকে মৃত ও জীবিত দেখানোর সনদের বিষয়ে রিয়াজুল ইসলাম বলেন, প্রথমবার কে বা কারা তাঁর সই ব্যবহার করে ওই সনদ দিয়েছিলেন। পরে পুলিশ এলে তিনি জীবিত থাকার একটি সদন দেন। প্রথমবার সনদ তিনি দেননি। ৩৫ মাসের বেতন-ভাতা আত্মসাতের বিষয়ে তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদে রাজস্বই আদায় হয় না। কীভাবে তাঁদের বেতন–ভাতা দেওয়া হবে। প্রতি মাসেই জেলা প্রশাসক থেকে তাঁদের আয়-ব্যয়ের হিসাব দিতে হয়। সেখানে আত্মসাতের কোনো সুযোগ নেই। তাঁরা মূলত তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।