• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা

৪র্থ নেপাল কালচারাল ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে “ডাম্ব”

Reporter Name / ১৭৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২২

৪র্থ নেপাল কালচারাল ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে বেস্ট ইন্টারন্যাশনাল চিলড্রেন ফিল্ম ক্যাটাগরিতে অফিসিয়াল সিলেকশন হয়েছে। ৩৪টি দেশের ৭২টি ফিল্ম প্রদর্শিত হবে এবং ১৫ টি চলচ্চিত্রকে পুরস্কৃত করা হবে।
দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে বিকেন্দ্রীকরন ও উত্তরবঙ্গে সুস্থ্য ধারার চলচ্চিত্র শিল্প গড়ে তোলা এবং এই শিল্প বিকশিত করার লক্ষে আন্দোলন চলছে। আন্দোলনরত এ তরুনদের একজন সহযোদ্ধা, উদীয়মান তরুন, স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতা “শাহারিয়ার চয়ন”। তিনি উত্তরবঙ্গ তথা রাজশাহীর চলচ্চিত্র শিল্পকে সমৃদ্ধ করতে ধারাবাহিক ভাবে একের পর এক চলচ্চিত্র নির্মান করে চলেছেন। সহানুভূতি, ফানুস, গন্তব্যহীন, বোধ, বুট পালিশ এসব চলচ্চিত্রের পর এবার তিনি নির্মান করেছেন শিশুতোষ চলচ্চিত্র “ডাম্ব”। এই চলচ্চিত্রটি ইতিমধ্যেই বেশ কিছু ফেস্টিভালে মনোনিত হয়েছে। “৪র্থ মাল্টি কালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভাল, টরেন্টো, কানাডা”, “হামিংবার্ড ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভাল, ইন্ডিয়া”, “২০তম ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভাল, বাংলাদেশ”, “গোয়াহাটি ফিল্ম ফেস্টিভাল, ইন্ডিয়া” “৫ম সাউথ এশিয়ান শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভাল, ইন্ডিয়া”, ডাম্ব চলচ্চিত্রটি মনোনিত হয়েছে। চলচ্চিত্রের গল্প, চিত্রনাট্য, সিনেমাটোগ্রাফি ও পরিচালনা করেছেন শাহারিয়ার চয়ন। ড্রিম মেকিং প্রোডাকশনের ব্যানারে নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাবেরা ইয়াসমিন সিমা, শান্ত, আতিকুর রহমান লাকি, নরুল আমিন মধু। ১২ বছরের শিশু শান্ত। শান্ত গ্রামে ভালো রেজাল্ট করায় গ্রাম থেকে বাবা মেয়েকে শহরের চাচার বাসায় নিয়ে আসে। শহরের এসে চাচার যৌন নির্যাতনের শিকার হয় কিন্তু চাচি সব বুঝতে পেরেও স্বামীর জন্য কিছু করতে পারেনা। অবশেষে চাচি শান্তর বাবাকে শহরে আসতে বলে এবং বাবার সাথে গ্রামে পাঠিয়ে দেয়।
রাজশাহীর বিভিন্ন মনোরম স্খানে চলচ্চিত্রটির চিত্রায়ন করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।