• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন বিসিবির সাবেক পরিচালক শফিকুর রহমান মুন্না

Reporter Name / ১৪৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৩ আগস্ট, ২০২২

ঢাকার ক্লাব তথা দেশের ক্রিকেটের নামী ও সফল সংগঠক এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক পরিচালক শফিকুর রহমান মুন্না আর নেই। প্রাণঘাতী ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে আজ মঙ্গলবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন এ ক্রিকেট অন্তঃপ্রাণ ব্যক্তিত্ব (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। আজ বাদ আসর গুলশানের আজাদ মসজিদে মুন্নার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

স্বাধীনতার পর ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটকে আকর্ষণীয় ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলতে যে কজন ক্রিকেট অন্তঃপ্রাণ সংগঠক অগ্রণী ভূমিকা রাখেন, শফিকুর রহমান মুন্না তার অন্যতম।

৭০‘র মাঝামাঝি ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের ক্রিকেট সম্পাদক ও ম্যানেজার হিসেবে যাত্রা শুরু মুন্নার। ক্লাব ক্রিকেটে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক বৃদ্ধিতে তার ছিল কার্যকর ভূমিকা।

তিনিই প্রথম ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবে তখনকার এক ঝাঁক শীর্ষ ও নামী তারকাদের সমন্বয়ে দল সাজান এবং ভিক্টোরিয়া ঢাকা লিগ চ্যাম্পিয়নও হয়।

অল্প সময়ের মধ্যেই ঢাকাই ক্লাব ক্রিকেটের জনপ্রিয় সংগঠক বনে যান মুন্না। যার ফলশ্রুতিতে তিনি দেশের ক্রিকেটের অভিভাবক বিসিবির অন্যতম শীর্ষ কর্তা হিসেবে কাজ করারও সুযোগ পান।

১৯৯১ সালে প্রয়াত লেঃ কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে হওয়া বিসিবির নির্বাহী কমিটির অন্যতম শীর্ষ কর্তা ছিলেন শফিকুর রহমান মুন্না। এরপর ২০০১ থেকে ২০০৬ সালেও তিনি বিসিবির নির্বাহী কমিটির অন্যতম বড় কর্তা হিসেবে কাজ করেছেন। প্রসঙ্গত, শফিকুর রহমান মুন্না জন্মগতভাবেই ক্রীড়া পরিবারের সন্তান। তার পিতা প্রয়াত শহিদুর রহমান কচিও ছিলেন দেশের খেলাধুলার অন্যতম সংগঠক। দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ছিলেন ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন কচি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।