• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি

দীঘি টিকটক করা বাদ দিচ্ছেন যে কারণে

Reporter Name / ১৬৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০২২

বাবা জানো আমাদের ময়না পাখিটা’ বুলি আওড়ানো শিশুশিল্পী প্রার্থনা ফারদিন দীঘি নায়িকা চরিত্রে নিজেকে মেলে ধরতে পারছেন না। এর কারণ হিসেবে তার টিকটকপ্রীতিকে দুষছেন অনেকেই। টিকটকই তার সিনেমায় পথের কাঁটা বলে মন্তব্য করেছেন সিনেবিশ্লেষকদের কেউ কেউ। টিকটকের কারণেই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়ার একটি সিনেমা থেকে বাদ পড়েন দীঘি। টিকটক করে নায়িকা ইমেজ নষ্ট করছেন— এমন কথা ফের উঠেছে।  এ প্রসঙ্গে এ নায়িকা বলেন, টিকটক থেকে সরে আসছেন তিনি। অন্যদেরও টিকটক থেকে সরে আসতে বলেন।

তবে তার কারণটি ভিন্ন।

শনিবার সন্ধ্যায় আলোচিত ‘পরাণ’ সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দীঘি বলেন, ‘টিকটক আমি একা করি না বাংলাদেশের নায়িকাদের মধ্যে, অনেকেই করে। আমি জানি না তাদের কেন এই প্রশ্ন করা হয় না। তবে আপনারা যদি এখন আমাকে ফলো করেন, আমার হাতে আসলে ওই সময়টা নেই। পড়াশোনা, এসবই আমার হাতে। সময় এতটাও পাওয়া যায় না। আমি যেহেতু জিনিসটা সময় দিতে পারছি না, জিনিসটা থেকে বের হয়ে আসতেছি। আপনারাও বের হয়ে আসেন এবার। আসলে টিকটক আমরা সবসময় করার সময় পাই না, আমাদের হাতে এত অঢেল সময় থাকে না যে টিকটক করার জন্য রেডি হব। যখন আমরা ফ্রি থাকি, একটা কাজ করছি তখন ১৫ সেকেন্ড করা যায়।’ তবে টিকটক দিয়ে অগণিত ভক্ত-অনুরাগী পেয়েছেন, এটিও জানালেন দীঘি।

‘তুমি আছো তুমি নেই’ অভিনেত্রী বলেন, ‘টিকটকে আমার জনপ্রিয়তা বেড়েছে না কমেছে, আমি জানি না। টিকটকে আমাকে মানুষ অনেক সাপোর্ট দিয়েছে, পছন্দ করেছে। যার জন্য একসময় অনবরত করা হতো। আমার ফলোয়ার এ জন্যই বেড়েছে। সবাই আমাকে ভালোবাসে।’

চলতি বছর দুই সিনেমা নিয়ে বড় পর্দায় আসছেন দীঘি।  সেগুলো হলো— ‘মুজিব’ ও ‘শ্রাবণ জ্যোৎস্নায়’।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।