• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানির মৃত্যু নিশ্চিত করলো ইরান: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজিকে আইনি নোটিশ রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানা এলাকা হতে ২১টি ককটেল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৫। টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু আজ বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ভয়াবহ ড্রোন ও রকেট হামলা

অনেকবার আত্মহত্যার কথা ভেবেছি: মিঠুন চক্রবর্তী

Reporter Name / ১৬৯ Time View
Update : রবিবার, ২৪ জুলাই, ২০২২

সোনার চামচ মুখে দিয়ে জন্মগ্রহণ করেননি মিঠুন চক্রবর্তী। বলিউডে যখন তার পায়ের তলার মাটিও ছিল না, তখন অনেকবার নাকি আত্মহত্যা করার কথাও ভেবেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী।

খবর বলা হয়, সম্প্রতি দিল্লির এক সংবাদ সম্মেলনে মিঠুন ফিরে যান তার ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোতে। তিনি বলেন, আমি সাধারণত এ সম্পর্কে খুব বেশি কথা বলি না। এমন কোনো নির্দিষ্ট পর্বও নেই, যা আমি উল্লেখ করতে চাই। কারণ সবাই সংগ্রাম করে, নিজেকে সে ক্ষেত্রে বিশেষ করে দেখানোর কোনো ইচ্ছা নেই। কিন্তু সত্যি বলতে কি, আমার সংগ্রাম ছিল সীমাহীন। মাঝেমাঝে ভাবতাম, আমি পারবো তো? এমনকি ব্যর্থতার ভয়ে আত্মহত্যা করার কথাও ভাবতাম।

১৯৭৬ সালে ‘মৃগয়া’ ছবিতে অভিনয়ে অভিষেক হয় মিঠুনের। সেরা অভিনেতা নির্বাচিত হয়ে শুরুতেই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি। ঝুলিতে ‘ডিস্কো ডান্সার’, ‘নিরাপত্তা’, ‘সাহস’, ‘ওয়ারদাত’, ‘ওয়ান্টেড’, ‘বক্সার’, ‘জল্লাদ’ এবং ‘অগ্নিপথ’-এর মতো একের পর এক ছবি। ‘তাহাদের কথা’ (১৯৯২) এবং ‘স্বামী বিবেকানন্দ’(১৯৯৮) ছবি দু’টি তাকে এনে দিয়েছিল আরও দু’টি সম্মান।

মিঠুনকে শেষ দেখা গিয়েছিল বিবেক অগ্নিহোত্রীর ছবি ‘দ্য কাশ্মির ফাইলস’-এ। ১৯৯০-এর দশকে কাশ্মিরি হিন্দুদের গণহত্যা এবং কাশ্মির উপত্যকা থেকে তাদের উচ্ছেদের কাহিনি নিয়ে এই ছবি মুক্তির দু’সপ্তাহের মধ্যে বক্স অফিস থেকে ২০০ কোটি টাকা আয় করেছিল। পরবর্তী ছবি নিয়েও একইভাবে আশাবাদী মিঠুন।

খবর: আনন্দবাজার


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।