• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানির মৃত্যু নিশ্চিত করলো ইরান: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজিকে আইনি নোটিশ রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানা এলাকা হতে ২১টি ককটেল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৫। টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু আজ বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ভয়াবহ ড্রোন ও রকেট হামলা

বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে অভিনেত্রী শর্মিলী আহমেদকে

Reporter Name / ১৮৯ Time View
Update : শুক্রবার, ৮ জুলাই, ২০২২

রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে গুণী অভিনেত্রী শর্মিলী আহমেদকে। এমন সিদ্ধান্তই জানিয়েছে তার পরিবার।

শর্মিলী আহমেদের বোন অভিনেত্রী ওয়াহিদা মল্লিক জলি  জানিয়েছেন, তার বোনের জানাজা জোহরের নামাজের পর রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টর মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মরদেহ রাখা হবে উত্তরার বাসায়। সেখানে ঘণ্টা দুইয়েক রাখা হবে আত্মীয়-স্বজনদের দেখার জন্য।

বাদ আসর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে নন্দিত এ অভিনেত্রীকে। স্বামী রকিবউদ্দিন আহমেদের কবরের পাশেই তাকে চিরঘুমে শায়িত করা হবে বলে জানিয়েছেন বোন জলি। শর্মিলী আহমেদের পারিবারিক নাম মাজেদা মল্লিক। অনেকদিন ধরেই মরণব্যাধি ক্যানসারের সঙ্গে লড়ছিলেন।

শুক্রবার (৮ জুলাই) সকালে অবস্থার আশঙ্কাজনক অবনতি হলে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পরই কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ১৯৪৭ সালের ৮ মে রাজশাহীতে জন্ম শর্মিলী আহমেদের। মাত্র চার বছর বয়সে তার অভিনয়ে হাতেখড়ি। রাজশাহী বেতারের শিল্পী ছিলেন তিনি। ষাটের দশকে চলচ্চিত্র অঙ্গনে ক্যারিয়ার শুরু। যদিও তার প্রথম চলচ্চিত্র ‘ঠিকানা’ (উর্দু ভাষায় নির্মিত) আলোর মুখ দেখেনি। পরে সুভাষ দত্তের ‘আলিঙ্গন’, ‘আয়না ও অবশিষ্ট’ এবং ‘আবির্ভাব’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়তা পান তিনি।

বেতারে শর্মিলী আহমেদের ক্যারিয়ার শুরু হয় ১৯৬২ সালে। ১৯৬৪ সালে তিনি সিনেমায় অভিনয় শুরু করেন। তাকে মায়ের ভূমিকায় সর্বপ্রথম দেখা গিয়েছিল ১৯৭৬ সালে মোহাম্মদ মহসিন পরিচালিত ‘আগুন’ নাটকে। তার স্বামী রকিবউদ্দিন আহমেদও ছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক। তার নির্মিত ‘পলাতক’ ছবিতে অভিনয় করেন স্ত্রী শর্মিলী আহমেদ।

সাবলীল অভিননে সবার হৃদয় জয় করা শর্মিলী আহমেদ এ পর্যন্ত প্রায় ৪০০ নাটক ও ১৫০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু হলেও পরবর্তীকালে মা, দাদি ও ভাবির চরিত্রে দর্শকদের মনে ঠাঁই করে নেন শর্মিলী আহমেদ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।