• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

এক মাসের বেতন বন্যার্তদের দিলেন মুশফিক

Reporter Name / ১৪৪ Time View
Update : সোমবার, ২৭ জুন, ২০২২

স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার কবলে সিলেট-সুনামগঞ্জ। সেখানে দেখা দিয়েছে মানবিক সংকট। আপাতত বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি ঘটলেও মানুষের অবর্ণনীয় কষ্ট এখনও শেষ হয়নি। ত্রাণ ও খাদ্য-পানীয়ের সংকট রয়েই গেছে।

এমতাবস্থায় দেশের নানা প্রান্ত থেকে যে যার সাধ্যমতো সিলেট-সুনামগঞ্জবাসীর পাশে দাঁড়াতে চেষ্টা করছেন। বাদ যাননি মুশফিকুর রহিমও। জাতীয় দলের তারকা এই ক্রিকেটার নিজের এক মাসের পুরো বেতন বন্যার্তদের সহযোগিতায় ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

মুশফিকের খুব ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জাগো নিউজকে জানিয়েছে, পারিবারিক দরকারে কলকাতায় গিয়েছিলেন মিস্টার ডিপেন্ডেবলখ্যাত এই ক্রিকেটার। সেখানে থাকা অবস্থায়ই তিনি নিজের এক মাসের বেতন বন্যার্তদের দিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে মনস্থ করেন।

বর্তমানে বিসিবির কাছ থেকে মাসে ৮ লাখ টাকা বেতন পান মুশফিক। ট্যাক্স এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে কাটা যায় ২৫ ভাগ। বাকি ৬ লাখ টাকা বন্যার্তদের সহযোগিতায় দিচ্ছেন মুশফিক।

মানবিক কাজে মুশফিকের অংশগ্রহণ নতুন কিছু নয়। এর আগে করোনার সময় নিজে দান করার পাশাপাশি নিজের ব্যাটও নিলামে তুলতে দেখা গিয়েছিল তাকে। এছাড়াও মুশফিক নিজের অর্গানাইজেশন ‘এমআর ১৫’ থেকেও সাহায্য করে থাকেন।

আপাতত ছুটিতে আছেন মুশফিক। পবিত্র হজব্রত পালন করবেন বলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে যাননি। মুশফিকের ঘনিষ্ঠ সূত্রটি জানিয়েছে, আগামী ১ জুলাই হজে যাবেন এই ক্রিকেটার। তবে তার সঙ্গে কেউ থাকবেন না। একাই যাবেন মুশফিক।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।