• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

এক কিশোরী ফুটবলারের মহৎ উদ্যোগ বন্যার্তদের জন্য

Reporter Name / ১৪৭ Time View
Update : শনিবার, ২৫ জুন, ২০২২

দুপুরে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বাফুফের নারী ফুটবল কমিটির চেয়ারপার্সন মাহফুজা আক্তার কিরণ ঘোষণা করেছে মেয়েদের ফিফা ফ্রেন্ডলি ম্যাচ দুটির টিকিট বিক্রি থেকে যে টাকা হবে তা প্রদান করা হবে সিলেটের বন্যাদূর্গতের সাহায্যে।

সন্ধ্যায় দেশের এক কিশোরী ফুটবলার শাহেদা আক্তার রিপা ঘোষণা দিয়েছে, সিলেটের বন্যার্তদের সাহায্যের জন্য তিনি নিলামে তুলতে চান তার জেতা সর্বোচ্চ গোলদাতার একটি ট্রফি।

গত বছর ডিসেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারতকে হারিয়ে। ওই টুর্নামেন্টে ৫ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার ট্রফি জিতেছিলেন শাহেদা আক্তার রিপা। সেই ট্রফিটিই তিনি এখন নিলামে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন।

এ বিষয়ে রিপার বড় ভাই ফারুক হোসাইন বুধবার রাতে কক্সবাজার থেকে বলেছেন, ‘গতকাল সন্ধ্যায় রিপার সঙ্গে আমার কথা বলার সুযোগ হয়েছিল। ওর সঙ্গে সিলেটের বন্যা নিয়ে কথা হচ্ছিলো। ও তখন ট্রফি নিলামে উঠাতে চাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে। আমিও তাকে উৎসাহিত করেছি। এরপর আমি বাবাকে বলেছি, তিনি না করেননি। এরপর ফেসবুক পেজের মাধ্যমে জানিয়েছি। তবে এখনও সেভাবে সাড়া পাইনি।’

নিজের ফেসবুক পেইজে দেয়া স্ট্যাটাসে শাহেদা আক্তার রিপা লিখেছেন, ‘আমি বাংলাদেশ মহিলা অনূর্ধ্ব-১৯ ফুটবল টিমের একজন সদস্য। সিলেটে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে আমি ছোট্ট একটি উদ্যোগ নিয়েছি। আমার ছোট্ট ক্যারিয়ারে সবচেয়ে যেটা বড় পাওয়া, ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপ টুর্নামেন্টে আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম। ওই টুর্নামেন্ট-এ আমি সর্বোচ্চ গোলদাতা (৫ গোল) হয়েছিলাম। আমি ৩ ম্যাচে সেরা খেলোয়াড়ও হয়েছিলাম।’

‘সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে পাওয়া ট্রফিটি আমি নিলামে তুলতে চাই। যার সম্পূর্ণ অর্থ ব্যয় হবে সিলেটের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষদের জন্য। কোনো দয়াবান ব্যাক্তি যদি এই মহৎ কাজের অংশীদার হন তাহলে আমরা কিছুটা হলেও বন্যার্ত মানুষের পাশে থাকত পারবো।’

‘আমার এই ট্রফিটা আমার বাড়িতে শো-কেসে রাখা আছে, হয়তো সারাজীবন থাকবে; কিন্তু কোনো মানুষের কাজে আসবে না। এই মূহূর্তে সিলেটের সবচেয়ে বেশি যেটা দরকার সেটা হল সবার সহযোগিতা। আমি যদি সিলেটের পাশে একটু হলেও দাঁড়াতে পারি তাহলে আপনাদের সবার প্রতি চির কৃতজ্ঞ থাকব।’

এস ,এম


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।