• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

বন্যার কবলে শাবিপ্রবি ক্যাম্পাস, শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি

Reporter Name / ১৫১ Time View
Update : শুক্রবার, ১৭ জুন, ২০২২

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা ছাত্রীহল, শিক্ষক কোয়ার্টার, কেন্দ্রীয় মসজিদ, প্রায় সব শিক্ষাভবন, আইআইসিটিটি ভবনের সামনে পানি উঠেছে। এছাড়া উপাচার্য ভবন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ভবনের সামনেও আধাফুট পানি দেখা যায়, লেক ও কয়েকটি পুকুরের পাড় ভেসে পানি গড়াতে দেখা যায়।

 
ছাত্রীহলের রাস্তায় পানি উঠায় ভোগান্তিতে পড়েছে আবাসিক হলের ছাত্রীরা। এতে হাঁটু পরিমাণ পানি ডিঙিয়ে ছাত্রীদের হাঁটাচলা করতে দেখা যায়। এছাড়াও ক্যাম্পাস এলাকায় পরিবহন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে।
 
বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগ ও সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী সায়মন আক্তার পুষ্প বলেন, সকাল থেকে হলের সামনের রাস্তা ডুবতে শুরু করেছে। পানি এত দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে যে মেয়েদের দুই হলের মাঝের রাস্তাও ডুবে গেছে। ক্যাম্পাসে চলাচলকারী অটো কিংবা টমটম কিছুই হলের সামনে আসতে চাচ্ছে না। হলে আমরা পানিবন্দি হয়ে পড়েছি।
 
বাংলা বিভাগ ও প্রথম ছাত্রী হলের শিক্ষার্থী জান্নাতুল নাঈম নিশাত জানান, সিলেটে একাধারে বৃষ্টির কারণে বন্যার কবলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা। প্রথম ছাত্রী হলের (জাহনারা ইমাম ছাত্রী হল) ভেতরে ও আশেপাশে পানি উঠে যাওয়ার কারণে পানি তোলার মটর পাম্পেও সমস্যা দেখা দিয়েছে। এতে করে খাবার পানির ব্যাপক সমস্যা দেখা দিয়েছে। এছাড়া সকাল থেকে বিদ্যুৎ না থাকার কারণে দুর্ভোগে পড়েছে ছাত্রীরা।
 শাবিপ্রবি কেন্দ্রের সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. মো. রাশেদ তালুকদার বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং হচ্ছে। ‘চ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থী সংখ্যাও কম। আমাদের সবধরনের প্রস্তুতি আছে। আমরা শুক্রবারের অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নিরাপদে সম্পন্ন করতে পারব। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ক্যাম্পাসে ভারি বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের। তিনি আরও বলেন, যেকোনো সমস্যায় শিক্ষার্থীরা আমাদের জানালে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।