• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা

ভাইয়ের জন্য দোয়া চাইলেন শামীম ওসমান

Reporter Name / ১৬৩ Time View
Update : শনিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২২

বড়ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা জাতীয় পার্টির সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের প্রয়াত সংসদ সদস্য নাসিম ওসমানের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন শামীম ওসমান এমপি।

শনিবার বাদ আসর নাসিম ওসমানের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মাসদাইর কেন্দ্রীয় কবরস্থান মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।  দোয়া অনুষ্ঠানে শামীম ওসমান বলেন, আমার ভাই অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিলেন। আমি আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলছি- আমার ভাই অত্যন্ত আল্লাহওয়ালা লোক ছিলেন। আমি দেখেছি উনি সারারাত নামাজ পড়তেন। আমরাও দোয়া পড়ি। আমার বড়ভাই দরজা বন্ধ করে কুরআন খতম দিতেন। জাতির পিতার কন্যা নিজেই আমার ভাইয়ের সম্পর্কে সংসদে কথা বলেছিলেন।

‘আপনাদের সবার কাছে হাতজোড় করে ভিক্ষা চাইতে এসেছি। জানি না কালকে থাকব কী থাকব না। এ কবরস্থানজুড়ে আমাদের পরিচিত মানুষ। চলে গেছেন সবাই, কেউ ফিরে আসেননি। আল্লাহ যেন তাদের জান্নাত দেন।’  নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এই এমপি আরও বলেন, আজকের এই দিনে আমাদের মাঝ থেকে আমার বড়ভাই নাসিম ওসমান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে চলে গেছেন। আমি আপনাদের কাছে উনার জন্য দোয়া ভিক্ষা করছি, আপনারা উনার জন্য দোয়া করবেন, যাতে আল্লাহ তাকে জান্নাত নসিব করেন।

শামীম ওসমান বলেন, আমাদের সবাইকে একদিন মরে যেতে হবে। আমরা সবাই বসে আছি এখানে, একটু পর ইফতার করব; কিন্তু কে যানে ততক্ষণ সে বেঁচে থাকবে। এখানে অনেকেই রোজা রেখেছেন, আল্লাহ যাতে একটি হাতের বিনিময়ে হলেও সবার গুনাহ মাফ করে দেন।

দোয়া মাহফিলে শামীম ওসমানের ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন উপস্থিত ছিলেন।

আরও উপস্থিত ছিলেন- নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নিজাম, সোনারগাঁ উপজেলার চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক শামসুল ইসলাম ভুইয়া, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বক্তবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম শওকত আলী, নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবলীগের সভাপতি শাহদাৎ হোসেন ভুইয়া সাজনু, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এহসানুল হক নিপু প্রমুখ।

এদিকে প্রয়াত নাসিম ওসমানের আত্মার মাগফিরাত কামনায় নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। ক্লাবের তৃতীয় তলায় শনিবার বাদ আসর এ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের সভাপতি আরিফ হোসেন মাহমুদ এ দোয়ার আয়োজন করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।