• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি

জুনে ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা

Reporter Name / ১৬৮ Time View
Update : সোমবার, ২১ মার্চ, ২০২২

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী জুনের মধ্যেই শেষ করা হবে। এবারও পাঁচটি ইউনিট অর্থাৎ- ক, খ, গ, ঘ আর ঙ অধীনে এই পরীক্ষা নেওয়া হবে। তবে এখনও চূড়ান্ত হয়নি পরীক্ষার তারিখ।

সোমবার (২১ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে উপাচার্য অধ্যাপক ড মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে একাডেমিক কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বিষয়ে বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সামাদ গণমাধ্যমকে বলেন, আশা করছি আগামী জুনের মধ্যে সব ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এবারও পাঁচটি ইউনিটের অধীনে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। তবে পরীক্ষার দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিট বাতিল নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা হয়। সবশেষ ১৬ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন লাউঞ্জে ডিনস কমিটির এক বিশেষ সভায় ঘ ইউনিট বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমিটি। সভায় বিভিন্ন অনুষদের ডিন এবং ইনস্টিটিউটের পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো আখতারুজ্জামান এতে সভাপতিত্ব করেন। মো আখতারুজ্জামান বলেন, এ বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিট বহাল থাকছে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষকদের সেন্টিমেন্ট ধারণ করে। আমি মনে করি এটি একটি ভালো সিদ্ধান্ত। ঢাবিতে সাধারণত ৫টি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা হয়ে থাকে। ইউনিটগুলো হলো- বিজ্ঞানের বিষয়গুলোর জন্য ‘ক’ ইউনিট, কলার বিষয়গুলোর জন্য ‘খ’ ইউনিট, ব্যবসায় শিক্ষার বিষয়গুলোর জন্য ‘গ’ ইউনিট, চারুকলার বিষয়গুলোর জন্য ‘চ’ ইউনিট এবং সামাজিক বিজ্ঞানের বিষয়গুলোর জন্য ‘ঘ’ ইউনিট। কিন্তু সে সময় বিভাগ পরিবর্তনের জন্য ‘খ’ ইউনিটের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে বিশ্ববিদ্যালয় ডিনস কমিটি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।