• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা

১৪ দলের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name / ১৬১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ, ২০২২

টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তেমন বৈঠক হয়নি ১৪ দলের। দিবস কেন্দ্রিক আচার-অনুষ্ঠান হলেও সেটিতে আওয়ামী লীগের অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘদিন পর মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার পর গণভবনে জোটের শরীকদের নিয়ে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে দলগুলোর নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বেশিরভাগ নেতাই উপস্থিত হয়েছেন। তবে এই বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন না বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল। এ বিষয়ে দলটির সভাপতি শরীফ নূরুল আম্বিয়া  বলেন, আমরা জানি যে, প্রধানমন্ত্রী ১৪ দলের বৈঠক ডেকেছেন। তবে বৈঠকে যাচ্ছি না আমরা। পুরোনো অবস্থানে আছি। ১৪ দলে আর কন্টিনিউ করছি না। গণতন্ত্রের সংকট থেকে উত্তরণের জন্য নতুন উদ্যোগ নেওয়া উচিত বলে মনে করি। সেজন্য কাজ করছি। চলমান বৈঠকে শরীক দলগুলোর সঙ্গে সখ্যতা বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হবে। এর আগে সোমবার (১৪ মার্চ) ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশ বলেন, বৈঠকে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আভ্যন্তরীণ আলোচনা হবে। ১৪ দলীয় জোট শরীকদের নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব, মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যু ও করোনার থাবায় জোটের কর্মকাণ্ডে বেশ ভাটা পড়ে। এছাড়া সামনে এসেছে পাওয়া না পাওয়ার ক্ষোভ।এরই মধ্যে জোট চাঙ্গা করতে বৈঠকে বসা হয়েছে বলে মনে করছেন জোট নেতারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।