• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা

সংগীত পরিচালনা নিয়ে বিতর্ক, জিডি করলেন বেলাল খান

Reporter Name / ১৬৭ Time View
Update : রবিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

ঘোষণা করা হয়েছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২০’র বিজয়ীর নাম। সেখানে ‘হৃদয়জুড়ে’ ছবির ‘বিশ্বাস যদি যায় রে’ গানের জন্য সংগীত পরিচালক হিসেবে নাম রয়েছে বেলাল খানের। এ সিদ্ধান্তের ব্যাপারে প্রশ্ন তুলে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন সংগীত পরিচালক এম এ রহমান।

তাই থানার দ্বারস্থ হলেন সংগীতশিল্পী বেলাল খান। তিনি জিডি করেছেন এম এ রহমানের বিরুদ্ধে। আজ রোববার (২০ ফেব্রুয়ারি) লিপিবদ্ধ হওয়া সাধারণ ডায়েরিতে বেলাল খান উল্লেখ করেছেন, এম এ রহমানের আচরণ অসম্মানজনক ও হুমকিস্বরূপ। হাতিরঝিল থানায় করা জিডিতে অভিযোগ করা হয়, ‌‌‌‘বিবাদী মোহাম্মদ আশিকুর রহমান (এম এ রহমান) আমার নির্দেশনায় শুধু একজন মিউজিশিয়ান হিসেবে কাজ করেছেন। যেভাবে অন্য মিউজিশিয়ানরা করেন। অথচ তিনি নিজেকে উক্ত গানের সংগীত পরিচালক দাবি করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন, যা সাংবাদিকসহ সুধীজনদের ট্যাগ করে। যাতে উক্ত গানের প্রকৃত সুরকার, সংগীতপরিচালক ও গায়ক হিসেবে আমার জন্য সত্যিই অসম্মানজনক ও দুঃখের।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘হৃদয়জুড়ে’ ছবির পরিচালক রফিক সিকদার ফেসবুকেও জানিয়েছেন, তিনি এম এ রহমান নামের কাউকে ‘বিশ্বাস যদি যায় রে’ গানের কাজ দেননি ও চেনেন না। এম এ রহমানের এমন দাবি বেলাল খানের ক্যারিয়ারের জন্য হুমকিস্বরূপ বলেও উল্লেখ করেন এ গায়ক। জিডি প্রসঙ্গে বেলাল খান বলেন, ‘আমাকে ছোট করতে তিনি (এম এ রহমান) এ কাজটি করছেন। যারা সংগীতে কাজ করেন, তারা ভালো করেই জানেন কীভাবে গান সম্পন্ন হয়। গানটিতে বাবু ও মীর মাসুদ ভাইয়ের মতো এম এ রহমানও একজন অ্যারেঞ্জার হিসেবে যুক্ত ছিলেন। কেউ যদি একটা স্ট্রিং বাজান আর দাবি করেন, তিনি সংগীত পরিচালক- তাহলে তো হবে না।

বিশ্বাস যদি যায় রে ভেঙে’ গানটি প্রকাশিত হয়েছে আড়াই বছর আগে। এত পরে কেন তিনি প্রতিবাদ করছেন? কারণটা কিন্তু জাতীয় পুরস্কার। হয়তো বিতর্ক সৃষ্টি করে এই পুরস্কারটা বাতিল করতে পারেন, কিন্তু আমি পিছু পা হবো না, যা সত্যি তাই বলবো ‘ এদিকে এম এ রহমানের দাবি, গানটির প্রকৃত পরিচালক তিনি। এজন্য তথ্য সচিব বরাবর আইনি চিঠি পাঠিয়েছেন আজ। যেখানে বেলাল খানের নাম বাদ দিয়ে তার নাম যুক্ত করার দাবি করা হয়েছে। এম এ রহমান পক্ষে আজ (২০ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেজবা উদ্দীন শরীফ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর এই নোটিশ পাঠিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।