• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র ঈদের ছুটি শেষে বিকেল ৩টায় বসছে জাতীয় সংসদের অধিবেশন ঈদ উপলক্ষে ট্রেন যাত্রীদের সহায়তায় রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় উদ্যোগ ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই’ দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার মৃত্যু পদ্মায় বাসডুবিতে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে সংসদীয় কমিটি ও সরকারি দল স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

রাজশাহী বিভাগের সেরা সংগঠন হিসেবে “স্বপ্নচূড়া”র পরিবেশ পদক লাভ

Reporter Name / ১৩৫ Time View
Update : রবিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২১

করোনা মহামারী এবং বর্ষা মৌসুমকে উপলক্ষ করে আমব্রেলা স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন সমগ্র দেশে গাছ লাগানোর প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলো৷

 

আমব্রেলার ফাউন্ডার ও সিইও এবং পরিবেশ প্রেমী অ্যাওয়্যার্ড-২০২০ এর প্রজেক্ট সমন্বয়ক মোঃ বাদশা মিয়া বলেন, করোনা মহামারিতে সবাই যখন মানুষকে ত্রাণ বা খাদ্যসামগ্রী উপহার দিচ্ছিলো, টিক তখনই আমব্রেলা পরিবার সমগ্র দেশের স্বেচ্ছাসেবীদের সমন্বয়ে পরিবেশের খাদ্য হিসেবে পরিবেশকে গাছ উপহার প্রদান করে৷ এই ব্যতিক্রম ধরণের প্রতিযোগিতায় সমগ্র দেশ থেকে প্রায় ৪০০ টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অংশগ্রহণ করে এবং প্রায় ৫ লক্ষাধিক গাছ বপন করে৷ শুধু গাছ লাগানো নয় বরং পরবর্তী পরিচর্যা, পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অন্যান্য কিছু বিষয়ের উপর ভিত্তি করে আমব্রেলা দ্য শ্যাড অব হিউম্যানিটি সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ‘পরিবেশ প্রেমী অ্যাওয়ার্ড-২০২০’ প্রদান করা হয়েছে৷ ” স্বপ্নচূড়া”র প্রতিষ্ঠাতা ডা.শুভ কুমার মজুমদার আমাদের জানান, “স্বপ্নচূড়া” এগোও স্বপ্নের পথে স্লোগান নিয়ে বারিন্দ মেডিকেল কলেজ থেকে পাশকৃত এক ঝাঁক নবিন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থী দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। করোনা মহামারীর শুরুর দিকে ২০২০ সালে আমরা রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ,নওগাঁ ও নাটোর জেলায় ৩২ প্রজাতির ১০২৭ টি গাছের চারা রোপন করেছি এবং তা এখনোও অব্যাহত রয়েছে। শুধু আমরা বৃক্ষ রোপন নয়, করোনা মহামারী চলাকালীন সময়ে বিনামূল্যে টেলিমেডিসিন সেবা,রক্ত সংগ্রহ করে দেওয়া,লকডাউনে বিপর্যস্ত অসহায় মানুষকে খাদ্য সামগ্রী উপহার এবং দুই ঈদে ঈদ সামগ্রী উপহার দিয়েছি। স্বপ্নচূড়া’র প্রত্যেক সদস্য অসহায় মানুষের পাশে, পরিবেশ ও দেশের উন্নয়নে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমব্রেলা পরিবারকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের “স্বপ্নচূড়া” কে রাজশাহী বিভাগের সেরা সংগঠন নির্বাচিত করার জন্য। আমরা রাজশাহীর প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আনন্দিত । এই প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরষ্কার অর্জন করে খুলনা বিভাগের সাতক্ষীরা জেলার সুন্দরবন স্টুডেন্টস সলিডারিটি টিম৷ সিলেট জেলার ‘সবুজ সিলেট, সবুজ হোক বাংলাদেশ’ এবং নীলফামারি জেলার ‘সেতুবন্ধন যুব উন্নয়ন সংস্থা’ যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুরষ্কার লাভ করে৷ এছাড়াও বিভাগীয় বিশেষ পুরষ্কার হিসেবে খুলনা বিভাগ থেকে অ্যালুমিনিয়াম সংঘ, ঢাকা বিভাগ থেকে বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন অথোরিটি, চট্রগ্রাম বিভাগ থেকে সামাজিক বিপ্লব, রংপুর বিভাগ থেকে লাল সবুজ সোসাইটি, ময়মনসিংহ বিভাগ থেকে স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন রাঙ্গামাটিয়া, সিলেট বিভাগ থেকে রিলেশন টু পিপল, রাজশাহী বিভাগ থেকে স্বপ্নচূড়া এবং বরিশাল বিভাগ থেকে মাতৃছায়া মহিলা কল্যান সমিতিকে “পরিবেশে প্রেমী অ্যাওয়ার্ড-২০২০” প্রদান করা হয়৷ এমনকি পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারি সকল সংগঠনকে ‘ফ্রেন্ড অব এনভায়রনমেন্ট’ হিসেবে অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়৷

 

অ্যাওয়ার্ড এর পাশাপাশি সকল সংগঠনকে সনদপত্র ও প্রাইজ মানি প্রদান করা হয়৷ গাছ লাগানোর প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারি সকল সংগঠনকে ‘ফ্রেন্ড অব এনভায়রনমেন্ট’ হিসেবে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়৷ ৮ অক্টোবর রোজ শুক্রবার সিলেটের পূর্ব জিন্দাবাজারের ফুড প্যালেস রেস্টুরেন্টের হল রুমে অনুষ্ঠিত ‘পরিবেশ প্রেমী অ্যাওয়ার্ড-২০২০’ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আমব্রেলার উপদেষ্টা এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর তাহমিনা ইসলাম৷ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সিলেট সিটি কর্পোরেশন৷ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার(ডিবি) তোফায়েল আহমদ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর আ.ফ.ম জাকারিয়া, সহকারী প্রফেসর মোঃ শাহজাহান মিয়া, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য আব্দুল করিম কিম, বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্টাল লয়ার্স এসোসিয়েশন এর বিভাগীয় সমন্বয়ক শাহ সাহেদা আক্তার, আমব্রেলার উপদেষ্টা এবং ক্রাউন সিমেন্ট গ্রুপের ডিস্ট্রিক্ট ইনচার্জ (সিলেট-সুনামগঞ্জ) ইকবাল হোসাইন, মেসার্স সুরভী এন্টারপ্রাইজ প্রোপ্রাইটর জুবায়ের আহমেদ জাবের প্রমুখ৷ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আমব্রেলার উপদেষ্টা এবং ডেনিশ রিফিউজি কাউন্সিল, কক্সবাজার, বাংলাদেশ এর টিম লিডার আতিক রহমান৷


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।