• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র ঈদের ছুটি শেষে বিকেল ৩টায় বসছে জাতীয় সংসদের অধিবেশন ঈদ উপলক্ষে ট্রেন যাত্রীদের সহায়তায় রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় উদ্যোগ ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই’ দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার মৃত্যু পদ্মায় বাসডুবিতে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে সংসদীয় কমিটি ও সরকারি দল স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

আবারও বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ

Reporter Name / ১৩৬ Time View
Update : শুক্রবার, ৮ অক্টোবর, ২০২১

আবারও ঊর্ধ্বমুখী ডেঙ্গুর প্রকোপ। রাজধানীতে সপ্তাহখানেক রোগীর সংখ্যা কিছুটা কমের দিকে থাকলেও গত দুই দিন আবারও আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন দুই শতাধিক ব্যক্তি। বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা, বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় অক্টোবর মাসজুড়েই থাকতে পারে এডিসের বিস্তার।

রাজধানীর শনির আখড়া এলাকার বাসিন্দা তাসলিমা হোসেন। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালে। তবে ভাবনাটা নিজেকে নিয়ে নয়, বেশি ভাবাচ্ছে ক্লাস নাইনে পড়ুয়া সন্তান ভর্তি একই হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডে। তিনি বলেন, শরীরে অনেক ব্যথা। খাবারে রুচি নেই। অনেক কষ্ট পাচ্ছি। যার ডেঙ্গু হইছে সে বলতে পারবে। আমার ছেলেদেরও ডেঙ্গু। হাসপাতালে আগের তুলনায় রোগীর চাপ কিছুটা কমেছে বটে। তবে পরিস্থিতি এখনো নাগালে আসেনি। শঙ্কার বিষয় হলো, হঠাৎ করে আবারো ঊর্ধ্বমুখী ডেঙ্গুর প্রকোপ। ৬ দিন ধরে ২শ’র নিচে থাকার পর গত দুই দিন ধরেই দৈনিক আক্রান্তের হার আবারো ২ শতাধিক। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যেমন কমছে না রোগী, তেমনি ঢাকার বাইরে থেকেও আসছেন অনেক ডেঙ্গু আক্রান্ত। অক্টোবরে এডিসের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা থাকলেও বাস্তব চিত্র উল্টো হওয়ার জন্য সাম্প্রতিক বৃষ্টিই বড় কারণ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের শঙ্কা, চলতি মাস জুড়েই নগরবাসীকে ভোগাতে পারে ডেঙ্গু পরিস্থিতি। অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহেই ডেঙ্গুতে প্রাণহানি ঘটে ৪ জনের।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।