• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ঈদ উপলক্ষে ট্রেন যাত্রীদের সহায়তায় রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় উদ্যোগ ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই’ দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার মৃত্যু পদ্মায় বাসডুবিতে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে সংসদীয় কমিটি ও সরকারি দল স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন

সোমবার দুই ধর্ষকের ফাঁসি

Reporter Name / ১৪১ Time View
Update : রবিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২১

যশোরে এক নারীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দুই আসামির ফাঁসি কার্যকর হতে যাচ্ছে। আগামীকাল সোমবার (৪ অক্টোবর) যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আজিজুল ওরফে আজিদ ওরফে আজিজ (৫০) ও মিন্টু ওরফে কালু (৫০) নামে দুই আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হবে।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার তুহিন কান্তি খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্রে জানা গেছে, আজিজুল ওরফে আজিদ ওরফে আজিজ ও মিন্টু ওরফে কালু আলমডাঙ্গার রায় লক্ষীপুর গ্রামের একজন নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন। এ ঘটনায় ২০০৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর মামলা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে চুয়াডাঙ্গা জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক ২০০৭ সালের ২৬ জুলাই আসামি আজিজুল ও মিন্টু ওরফে কালুকে মৃত্যুদণ্ড এবং দুইজনকেই দুই লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন। এরপর আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন। ২০১২ সালের ১১ নভেম্বর নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখার আদেশ দেন। এরপর আসামিপক্ষ মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে যান। চলতি বছরের ২৬ জুলাই সেখানেও নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখার আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাওয়া হলেও তা না মঞ্জুর হয়। চলতি মাসের ৬ তারিখে সুরক্ষা সেবা বিভাগ কারা অধিদপ্তর থেকে চিঠি দেওয়া হয়। যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার গত ৮ সেপ্টেম্বর সেই চিঠি গ্রহণ করে। যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার তুহিন কান্তি খান বলেন, আজিজুল ওরফে আজিদ ওরফে আজিজ ও মিন্টু ওরফে কালু ফাঁসির রায় কার্যকরের জন্য আদেশ এসেছে। সোমবার এই আদেশ কার্যকর করা হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ফাঁসির রায় কার্যকরে তিন জল্লাদ অংশ নেবে। তাদের যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকেই নেওয়া হবে ফাঁসির রায় কার্যকর করার সময় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও সিভিল সার্জন কার্যলয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। এদিকে দুই আসামির পরিবারের পক্ষ থেকে শতাধিক স্বজন তাদের সঙ্গে শেষ দেখা করে গেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।