• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ঈদ উপলক্ষে ট্রেন যাত্রীদের সহায়তায় রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় উদ্যোগ ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই’ দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার মৃত্যু পদ্মায় বাসডুবিতে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে সংসদীয় কমিটি ও সরকারি দল স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন

শুরু হয়েছে ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়া

Reporter Name / ১৩৪ Time View
Update : শনিবার, ২ অক্টোবর, ২০২১

প্রায় তিন বছর পর ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ-বিআরটিএ।

পরীক্ষা দেওয়ার পরও যাদের লাইসেন্স নানা জটিলতায় আটকে ছিল তাদেরও বায়োমেট্রিক কার্যক্রম শুরু করেছে মাদ্রাজ সিকিউরিটি প্রিন্টার্স। তবে সেবাপ্রত্যাশীদের অভিযোগ, এ প্রক্রিয়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এদিকে আটকে থাকা সাড়ে ১২ লাখ লাইসেন্সের প্রিন্ট আগামী মাস থেকে শুরু করবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কোনো প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের হাতে তুলে দিবে লাইসেন্স সেই চুক্তি নিয়েই আটকে ছিল বিআরটিএ। তবে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সেই কাজ শুরু করেছে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান মাদ্রাজ সিকিউরিটি প্রিন্টার্স। রাজধানীর পল্লবীতে প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার মানুষের বায়োমেট্রিক করছে প্রতিষ্ঠানটি। এ বায়োমেট্রিক দিতে গাজীপুর থেকে এ পযর্ন্ত তিন দফায় রাজধানীর পল্লবীতে এসেছেন আবির হোসেন নামে এক ব্যক্তি। তার মতো বিভিন্ন জেলা থেকে যারা এসেছেন তাদের সবারই অভিযোগ সময়ের দীর্ঘসূত্রিতা নিয়ে।

আবির হোসেন জানান, প্রথম সময় দিয়েছে সকাল ১০টা পরে ১১টা এরপরে আবার ১২ এভাবে সময় বাড়াতে থাকে।   আরেকজন জানান, আমার আগের কার্ডটা রিনিউ করে নিয়ে আসতে, এ মেসেজটা যদি মোবাইল ফোনে দিত তাহলে আমি সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এখানে এসে অপেক্ষা করতাম না।  তবে মাদ্রাজ প্রিন্টার্সের দাবি, ইতোমধ্যে সারা দেশে স্থাপন হয়ে গেছে ৬৯টি বায়োমেট্রিক মেশিন। তবে জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে যাদের পাসপোর্টের তথ্যের মিল নেই, সেসব গ্রাহকের লাইসেন্স নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। মাদ্রাজ সিকিউরিটি প্রিন্টার্সের মানবসম্পদ কর্মকর্তা আশরাফ বিন মোস্তফা বলেন, তাদের তথ্য যাচাইবাছাই করার সময় অনেক গরমিল পাওয়া যায়, তখন কি করা হয়, আবার তাদের ঠিক করে আনতে বলা হয়। এনআইডি ভুল থাকলে আবার তাদের অনুরোধ করা হচ্ছে সেটা ঠিক করে আনতে। বিআরটিএ বলছে, আগামী অক্টোবর থেকে আটকে থাকা ড্রাইভিং লাইসেন্সের স্মার্ট কার্ড ছাপার কাজ শুরু করবে সেনাবাহিনীর বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি। আগামী ছয় মাসের মধ্যে আটকে থাকা ১২ লাখ ৪৫ হাজার ড্রাইভিং লাইসেন্স সরবরাহের কাজ শেষ করবে তারা। বিআরটিএর রোড সেফটির পরিচালক শেখ মোহাম্মদ মাহবুব ই রাব্বানী বলেন, পুরাতন যে লাইসেন্সগুলো পড়ে ছিল প্রায় ১২ লাখের অধিক, সেখানে সেনাবাহিনী কাজ শুরু করে দিয়েছে। আগামী মাস থেকে কার্ড প্রিন্টিংয়ে চলে যাবে। অথাৎ লাইসেন্স পাওয়া নিয়ে যে সমস্যা ছিল সেটি আর থাকছে না।   বিআরটিএর টেন্ডার জটিলতায় দেশজুড়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান বন্ধ ছিল ২০১৯ সালের আগস্ট থেকে।
 


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।