• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ঈদ উপলক্ষে ট্রেন যাত্রীদের সহায়তায় রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় উদ্যোগ ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই’ দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার মৃত্যু পদ্মায় বাসডুবিতে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে সংসদীয় কমিটি ও সরকারি দল স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন

২৪ ঘণ্টায় ২১৪ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি

Reporter Name / ১৩১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১

দিন যত যাচ্ছে দেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা তত বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ২১৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে সারা দেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ৯৮৯ জন ডেঙ্গু  রোগী ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার ৪৫টি হাসপাতালে ৭৫৮ জন ও ঢাকার বাইরের বিভিন্ন বিভাগীয় হাসপাতালে ২৩১ জন ভর্তি রয়েছেন।

সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমারজেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের কর্মকর্তা ডা. কামরুল কিবরিয়া স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়-গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি রোগীদের মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ১৬৩ এবং ঢাকার বাইরে ৫১ জন ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে-চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৬৩ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে জুলাইয়ে ১২ জন, আগস্টে ৩৪ জন এবং চলতি মাসের সোমবার পর্যন্ত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ভর্তি ২১৪ জনের মধ্যে ঢাকায় ১৫ সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত হাসপাতালে ৫৩ জন ও ৩২টি বেসরকারি হাসপাতাল এবং ক্লিনিকে ১১০ জন ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা মহানগরীর বাইরে আটটি বিভাগের সরকারি হাসপাতালে ১০২ জন ও বেসরকারি হাসপাতালে ১১২ জন ভর্তি হন। গত ২৪ ঘণ্টায় সরকারি হাসপাতালগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্যার সলিমুল্লাহ (মিটফোর্ড) হাসপাতালে ১৮ জন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয়জন, ঢাকা শিশু হাসপাতালে সাতজন, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ছয়জন, শহিদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চারজন, বিজিবি হাসপাতালে চারজন, সংক্রমক ব্যাধি হাসপাতালে তিনজন, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুইজন ও কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে একজন করে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকার বেসরকারি প্রতিষ্ঠান উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে ১১ জন, ইবনে সিনা হাসপাতালে (ধানমন্ডি) ১০ জন, ডেল্টা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৯ জন, ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে আটজন, এভার কেয়ার হাসপাতালে সাতজন করে ভর্তি হয়েছেন। বাকিরা অন্য হাসপাতাল-ক্লিনিকে ভর্তি হয়েছেন। রাজধানীর ৩২টি বেসরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে ১১০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।