• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ঈদ উপলক্ষে ট্রেন যাত্রীদের সহায়তায় রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় উদ্যোগ ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই’ দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার মৃত্যু পদ্মায় বাসডুবিতে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে সংসদীয় কমিটি ও সরকারি দল স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন

বরিশালে ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর হামলা

Reporter Name / ১২৭ Time View
Update : সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১

বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার লতা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান নেহালের ওপর হামলার অভিযোগে দুই মেম্বারের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে মেহেন্দিগঞ্জের কাজীরহাট থানায় আহত মিজানুর রহমান নেহাল বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় লতা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) স্বপন চৌধুরী ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) তাইজুল ইসলামকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলা সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান নেহালের সঙ্গে মেম্বার স্বপন চৌধুরী ও তাইজুল ইসলামের বিরোধ চলে আসছে। স্বপন চৌধুরী ও তাইজুল ইসলাম এ কারণে এলাকায় মিজানুর রহমান নেহালের বিরুদ্ধে নানা ধরনের কুৎসা রটাচ্ছিলেন। সম্প্রতি মিজানুর রহমান নেহাল বিষয়টি জানতে পেরে দুই মেম্বারকে কুৎসা রটাতে নিষেধ করেন। ওই সময় তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। ওই ঘটনার জের ধরে রোববার রাত ৯টার দিকে বাংলাবাজার এলাকায় স্বপন চৌধুরী ও তাইজুল ইসলাম কয়েকজন সহযোগী নিয়ে মিজানুর রহমান নেহালের ওপর হামলা করেন। স্বপন চৌধুরী ও তাইজুল ইসলামের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হন মিজানুর রহমান নেহাল। এ সময় স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাইজুল ইসলামকে ধরে ফেলেন। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। কাজীরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, হামলার ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান নেহাল বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আটক তাইজুল ইসলামকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। অপর আসামি স্বপন চৌধুরীকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।