• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ঈদ উপলক্ষে ট্রেন যাত্রীদের সহায়তায় রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় উদ্যোগ ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই’ দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার মৃত্যু পদ্মায় বাসডুবিতে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে সংসদীয় কমিটি ও সরকারি দল স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ -বিএনপি সংঘর্ষ

Reporter Name / ১২৬ Time View
Update : সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় নবগঠিত যুবদলের কমিটির শোডাউনকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে বিএনপির অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী ছাড়াও আহত হয়েছে আরও তিন সংবাদকর্মী।

সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল হক ইমুকে আটক করা হয়। পুলিশ ও বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, গত ১২ জুন কসবা উপজেলা যুবদল ও পৌর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে এই কমিটি গত ৯ সেপ্টেম্বর ফেসবুকে প্রকাশ করা হয়।  এ ঘটনার প্রেক্ষিতে সোমবার সকালে কসবা উপজেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক মাসুদুল হক দীপুর নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা অনন্তপুর গ্রামের বালুর মাঠ থেকে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে একটি মিছিল বের করে। পরে অনুমোদন না থাকায় পুলিশ মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়।  এদিকে নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক মাসুদুল হক দীপু, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল হক ইমু, সাজেদুল হক ও আকরামসহ অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়।  এ সময় মোহনা টিভির কসবা প্রতিনিধি হারুন অর রশিদ ডালি, সময় টিভির ক্যামেরাপারসন জুয়েল রহমান, এটিএন নিউজের ব্যুরো প্রধান পীযুষ কান্তি আচার্য ঢিলের আঘাতে আহত হন।  ঘটনা সম্পর্কে কসবা উপজেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক মাসুদুল হক দীপু জানান, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের নবগঠিত কমিটির পক্ষে একটি মিছিল করছিলাম। এ সময় বিনা উসকানিতে পুলিশ আমাদের মিছিলে এসে বাধা দেয়। লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে আমাদের অন্তত ১০জন নেতাকর্মী আহত হয়। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং আটককৃত নেতাকর্মীর মুক্তি দাবি করছি।  কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া জানান, বিএনপি নেতাকর্মীদের মিছিল করার অনুমতি ছিল না। যার কারণে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। তারা বাধা না মানার কারণে পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের মিছিল ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ ঘটনায় পুলিশ ছাত্রদলের এক নেতাকে আটক করে। বর্তমানে কসবা উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে ‌বলেও জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।