• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ঈদ উপলক্ষে ট্রেন যাত্রীদের সহায়তায় রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় উদ্যোগ ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই’ দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার মৃত্যু পদ্মায় বাসডুবিতে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে সংসদীয় কমিটি ও সরকারি দল স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন

ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কে তীব্র যানজট

Reporter Name / ১৩৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের শাস্তির দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলনের পর ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে তীব্র যানজট দেখা দিয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন সাপ্তাহিক ছুটিতে ঘরে ফেরা বিভিন্ন পেশার মানুষ।

বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করায় মেয়র জাহাঙ্গীরের শাস্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে টায়ার জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করে আওয়ামী লীগ সমর্থিত বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। মহাসড়কের ওপর দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকা ও মহাসড়কে বিআরটি প্রকল্পের কাজ চলমান থাকায় যানজট তীব্র আকার ধারণ করেছে। রাত সাড়ে  ১০টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্তও মহাসড়কে যানজট রয়েছে।

রাজধানীর মহাখালী থেকে বিকেল ৩টায় ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন শাহ্ আলম। তিনি জানান, বাসে ওঠার পর থেকেই ছোট ছোট যানজট ছিল। উত্তরার কাছাকাছি আসার পর থেকে তীব্র যানজটে পড়তে হয়েছে। একই জায়গায় প্রায় আড়াই ঘণ্টা বসে থাকতে হয়েছে তাকে।

উত্তরা থেকে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে গাজীপুরে ফিরছিলেন ব্যবসায়ী শামসুজ্জামান মামুন। তিনি জানান, অবরোধের কারণে বোর্ড বাজার এলাকায় তাকে প্রায় চার ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে।

আরিফ হাসান নামে এক বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা উত্তরা থেকে নেত্রকোনার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। পরে যানজটে দেখে বাসায় ফিরে গেছেন তিনি। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (ট্রাফিক) আব্দুল্লাহ্ আল মামুন জানান, টঙ্গী ব্রিজ থেকে শুরু করে বোর্ড বাজার পর্যন্ত গাড়ির প্রচুর চাপ থাকায় যানজট সৃষ্টি হয়েছে। আমরা ক্রাইমের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যদের নিয়ে যানজট নিরসনে কাজ করছি। এছাড়াও কামারপাড়া থেকে টঙ্গী ও গাজীপুরাতেও অতিরিক্ত গাড়ির চাপ বেড়েছে। মীরের বাজার সড়কেও যানজটে রয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (ট্রাফিক-উত্তরা) সাইফুল হক জানান, গাজীপুরে সৃষ্ট যানজট ঢাকার উত্তরায় ছাড়িয়ে পড়েছে। যানজটে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে পুলিশ কাজ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।