• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ঈদ উপলক্ষে ট্রেন যাত্রীদের সহায়তায় রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় উদ্যোগ ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই’ দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার মৃত্যু পদ্মায় বাসডুবিতে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে সংসদীয় কমিটি ও সরকারি দল স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন

বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতা সবুজের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে চার্জশিট

Reporter Name / ১৪৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি সবুজ আল সাহবা ও তার বান্ধবী বিবি ফাতেমা ঝুমুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) মহানগর হাকিম মো. আশেকে ইমামের আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক রোকসানা আক্তার রুনা। আদালত চার্জশিটটি বিচারের জন্য ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮ এ বদলি করেন।

গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে এক তরুণী ছাত্রলীগ নেতা সবুজের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে এসে মিরপুর মডেল থানায় একটি মামলা করেন। পরে ওই রাতেই রাজধানীর একাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়ে ছাত্রলীগ নেতা সবুজ ও বিবি ফাতেমা ঝুমুরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মামলায় বিবি ফাতেমাকে ধর্ষণে সহায়তাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমানে তারা দুজনই জামিনে রয়েছেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, ভুক্তভোগী তরুণী গত বছরের ৫ আগস্ট বিবি ফাতেমা ঝুমুরের বাসায় ঝিয়ের কাজ করতে আসেন। তারপর গত বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর চিকিৎসক দেখানোর জন্য আসামি বিবি ফাতেমা ঝুমু ওই তরুণীকে নিয়ে ঢাকায় আসেন। এরপর ছাত্রলীগ নেতা সবুজের বাসায় তাকে নিয়ে যান।

সেখানে ঝুমু ছাত্রলীগ নেতা সবুজকে ভাই হিসেবে কাজের মেয়ের সঙ্গে পরিচয় করে দেন। ওই দিন রাতে আসামি ঝুমু সেই তরুণীকে আসামি সবুজের রুমে পাঠায় এবং শারীরিক সম্পর্ক করতে বলে। পরে আসামি ঝুমুর সহযোগিতায় সবুজ সেই তরুণীকে ধর্ষণ করে। ফাতেমা জানায়, সে সকালে সবুজের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে ভিকটিমকে দেবে। এরপর রাতে তারা ওই বাসায় ঘুমিয়ে পড়ে। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর তারা বাসায় চলে যায়। পরে তরুণী বিষয়টি তার স্বজনদের জানান।

উল্লেখ্য, গত ১ অক্টোবর বান্ধবীর বাসার গৃহকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগে কারাগারে আটক ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সবুজ আল সাহবাকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহিম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান হৃদয় স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বহিষ্কার আদেশ দেওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।