• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ঈদ উপলক্ষে ট্রেন যাত্রীদের সহায়তায় রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় উদ্যোগ ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই’ দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার মৃত্যু পদ্মায় বাসডুবিতে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে সংসদীয় কমিটি ও সরকারি দল স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন

এএসআই মাসুদ ১১ মাসে হারানো মোবাইল উদ্ধার করেছেন ২৩০টি

Reporter Name / ১৪৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

যেন মরুভূমিতে সুই খোঁজার চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠে নেমে পড়েন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মাসুদ রানা। শেষমেশ সফল হয়ে দুই শতাধিক হারানো মোবাইল উদ্ধার করেছেন। কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ একাধিকবার পুরস্কৃতও হয়েছেন। তিনি বর্তমানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিউমার্কেট থানায় কর্মরত।

ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের অক্টোবর থেকে চলতি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ২৩০টি মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিককে ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি। প্রতিটি হারানো মোবাইল মালিকের হাতে ফেরত দেওয়ার সময় একটি করে ফুল শুভেচ্ছা উপহারও তুলে দেন পুলিশের এ কর্মকর্তা।

এছাড়া বিকাশের মাধ্যমে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে হাতিয়ে নেওয়া কয়েকটি ঘটনায় সাড়ে ২৬ হাজার টাকা উদ্ধার করে মালিককে বুঝিয়ে দিয়েছেন মাসুদ রানা। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকাশ থেকে খোয়া যাওয়া ২৫ হাজার টাকা কুড়িগ্রাম থেকে উদ্ধার করে প্রকৃত মালিককে বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি।

ডিএমপির নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স ম কাইয়ুম  বলেন, ‘এএসআই মাসুদ রানা প্রযুক্তিতে অনেক দক্ষ। এজন্য থানায় মোবাইল হারানো সংক্রান্ত জিডি হলে ডাক পড়ে তার। অত্যন্ত সুকৌশলে দক্ষতা ও বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে পরিশ্রম করে তিনি মোবাইল উদ্ধার করেন। এসব অভিযোগ নিয়ে কাজ করা আর মরুভূমিতে সুই খুঁজে বের করা প্রায় একই কথা ‘

জানতে চাইলে এএসআই মাসুদ রানা  বলেন, ‘আমার কর্মরত থানাটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও নিউমার্কেট এলাকাধীন হওয়ায় বেশিরভাগ মোবাইল হারানোর জিডি হয় ছাত্র ও বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের। আমি সবগুলোই সমান গুরুত্বের সঙ্গে তাদের হারানো মোবাইল উদ্ধারের চেষ্টা করি।’

তিনি বলেন, ‘অনেক দামি জিনিস হারানোর চেয়ে মোবাইল হারানোর কষ্ট অনেক বেশি। কেননা মোবাইলে প্রয়োজনীয় নম্বর থেকে শুরু করে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকে। জিডি করার পর ফোন উদ্ধার করে ভুক্তভোগীকে ফিরিয়ে দিলে তারা অনেকে বিশ্বাসই করতে চান না। মোবাইল নেওয়ার সময় অনেকে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

মাসুদ রানা আরও বলেন, ‘হারানো মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিককে বুঝিয়ে দেওয়ায় ডিএমপি কমিশনার স্যার আমাকে সাতবার পুরস্কৃত করেছেন। এছাড়া রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান স্যারও আমাকে পুরস্কৃত করেছেন। সাধারণ মানুষও আমাকে স্নেহ-ভালোবাসা দিয়ে পুরস্কৃত করেছেন।’

মাসুদ রানা ২০০৩ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। এরপর ২০১৫ সালে এএসআই পদে পদোন্নাতি পান। গত বছরের ১৯ আগস্ট থেকে তিনি নিউমার্কেট থানায় দায়িত্ব পালন করছেন। তার গ্রামের বাড়ি জামালপুরের সরিষাবাড়ি। তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আনিসুর রহমানও পুলিশ সদস্য ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।