• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৯:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ঈদ উপলক্ষে ট্রেন যাত্রীদের সহায়তায় রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় উদ্যোগ ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই’ দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার মৃত্যু পদ্মায় বাসডুবিতে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে সংসদীয় কমিটি ও সরকারি দল স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন

চাঁদপুর মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালকসহ ৭ জনের নামে মামলা

Reporter Name / ১৩৬ Time View
Update : বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১

চাঁদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক এ কে এম দিদারুল আলমসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগে মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) চাঁদপুর সদরের আমলি আদালতে মামলাটি করেন সদর উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নের জহির মিজি নামে এক কাপড় ব্যবসায়ী।

অন্য আসামিরা হলেন- চাঁদপুর সদর উপজেলার বাখরপুর গ্রামের হারুনুর রশিদ গাজীর ছেলে মো. জামাল গাজী, চাঁদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের বিভাগীয় পরিদর্শক বাপন সেন, উপপরিদর্শক মো. মজিবুর রহমান, মো. পিয়ার হোসেন, সহকারী উপ-পরিদর্শক মো. আশ্রাফ আলী ও সিপাহী মো. সাইফুল ইসলাম।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ৫ ডিসেম্বর জহির বাড়ি থেকে বের হয়ে চান্দ্রা চৌরাস্তায় এলে তাকে অভিযুক্তরা ঘেরাও করে মারধর করেন। পরে তার কাছে থাকা ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে যান তারা। সর্বশেষ পরিকল্পিতভাবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪২০ পিস ইয়াবা জব্দ দেখিয়ে জহিরকে জিআর মামলায় আদালতে সোপর্দ করেন।

এ ঘটনায় মামলার প্রধান সাক্ষী মোক্তার আহম্মেদ বিষয়টি নিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক বরাবর অভিযোগ দেন। পরে এ ঘটনায় মহাপরিচালক বিভাগীয় কার্যালয় চট্টগ্রামকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

চলতি বছরের ২৪ জুন বিভাগীয় তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দাখিল করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের উপপরিচালক হুমায়ুন কবির আখন্দ। তিনি সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও আসামিদের জবানবন্দিসহ বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে পাঁচ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন দাখিল করেন। এতে ব্যবসায়ী জহির মিজি ঘটনার শিকার বলে উল্লেখ করা হয়। তাকে মাদক দিয়ে ফাঁসিয়ে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত সহকারী পরিচালক এ কে এম দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করা হয়।

এ বিষয়ে চাঁদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক এ কে এম দিদারুল আলম বলেন, আদালতে মামলার বিষয়টি জেনেছি। এর আগে যে তদন্ত রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে তার কোনো ভিত্তি নেই। এ কারণে নতুন করে আরও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছে হেড অফিস।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।