• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ঈদ উপলক্ষে ট্রেন যাত্রীদের সহায়তায় রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় উদ্যোগ ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই’ দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার মৃত্যু পদ্মায় বাসডুবিতে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে সংসদীয় কমিটি ও সরকারি দল স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন

চাঁদাবাজির কারণে সুনামগঞ্জ-ঢাকা রুটে অনির্দিষ্টকাল বাস ধর্মঘট চলছে

Reporter Name / ১৩৫ Time View
Update : রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১

সুনামগঞ্জ-ঢাকা রুটে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট চলছে।  রোববার সকাল ৬টা থেকে সুনামগঞ্জ থেকে দূরপাল্লার কোনো বাস চলাচল করছে না। এ কারণে সুনামগঞ্জ-ঢাকা, সুনামগঞ্জ-কুমিল্লা, সুনামগঞ্জ-ময়মনসিংহসহ দূরপাল্লার যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন।

এর আগে শনিবার সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কে চলাচলকারী বাস থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে এ ধর্মঘটের ডাক দেয় সুনামগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়ন।  এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সুনামগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নূরুল হক। তিনি জানান, বেশ কয়েক দিন ধরে সুনামগঞ্জ থেকে ঢাকায় আসা-যাওয়ার পথে সিলেটের বাইপাস সড়ক এলাকায় বাসে চাঁদাবাজি করে আসছে একটি চক্র। বিষয়টি অনেকবার সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। যার কারণে সুনামগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদি চাঁদাবাজদের এ দৌরাত্ম্য বন্ধ না হয়, তা হলে স্থানীয় সড়কেও গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে। জানা গেছে, অনেক দিন ধরে সুনামগঞ্জ থেকে ঢাকায় আসা-যাওয়ার পথে সিলেট-বাইপাস সড়ক এলাকায় আন্তঃজেলা বাসে চাঁদাবাজি করে আসছে একটি চক্র। বারবার এ নিয়ে সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে অভিযোগ দেওয়া হলেও কোনো প্রকার ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে সুনামগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদি চাঁদাবাজদের বেআইনি এ দৌরাত্ম্য বন্ধ করা না হয়, তা হলে স্থানীয় (লোকাল) সড়কেও গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেবে বলে জানিয়েছে জেলা সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়ন। এ ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন জেলা সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা। সুনামগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নূরুল হক বলেন, সিলেটে একটি প্রভাবশালী মহল সুনামগঞ্জের বাস থামিয়ে কুমারগাঁও এলাকায় প্রতিটি বাস থেকে দীর্ঘদিন চাঁদাবাজি করে আসছে। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানোর পরও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি, তাই আজ থেকে আন্তঃজেলা বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। জেলা বাস মিনিবাস মাইক্রোবাস মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল মিয়া বলেন, সুনামগঞ্জ থেকে সিলেটগামী বাস সিলেটের ত্রিমুখী পয়েন্ট এলাকায় থামিয়ে চাঁদাবাজি করে একটি গ্রুপ। প্রশাসনের কাছে দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি জানিয়ে কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় আন্তঃজেলা বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।  এ সিদ্ধান্তের ফলে সুনামগঞ্জ, ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ, বগুড়া, নোয়াখালীসহ পাঁচটি রুটে আন্তঃজেলা বাস চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে সিলেট-সুনামগঞ্জ রুটে বাস চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।