• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০২:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র ঈদের ছুটি শেষে বিকেল ৩টায় বসছে জাতীয় সংসদের অধিবেশন ঈদ উপলক্ষে ট্রেন যাত্রীদের সহায়তায় রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় উদ্যোগ ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই’ দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার মৃত্যু পদ্মায় বাসডুবিতে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে সংসদীয় কমিটি ও সরকারি দল স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

দেশের ৬ কোটি ৮৩ লাখ মানুষ ভুগছে নিরাপদ পানির অভাবে

Reporter Name / ১৫২ Time View
Update : বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১

নিরাপদ পানির অভাবে ভুগছে দেশের ৬ কোটি ৮৩ লাখ মানুষ। জনসংখ্যার ১১ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষই ব্যবহার করছেন আর্সেনিকযুক্ত পানি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য। দূষিত পানি ব্যবহারে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন গ্রাম ও শহরের বাসিন্দারা। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জানান, শিগগিরই দেশের সবকটি জেলায় চালু করা হবে ওয়াটার টেস্টিং ল্যাব। ঢাকার পার্শ্ববর্তী জনবহুল নীলটেক গ্রাম। একটু খাবার পানির জন্য বাসিন্দাদের প্রতিদিন মাইলের পর মাইল হাঁটতে হয়। গ্রামটির প্রায় অর্ধেকের বেশি নলকূপগুলোর পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি রয়েছে। গ্রামটির এক যুবক বলেন, আমাদের গ্রামের বেশির ভাগ নলকূপের পানিতে আর্সেনিক রয়েছে। কোনো উপায় নেই, তাই বাধ্য হয়ে এই প্রতিদিন ব্যবহার করতে হচ্ছে। শুষ্ক মৌসুমে নিরাপদ পানির জন্য হাহাকার চরমে পৌঁছে। এ সময় নলকূপগুলো থেকে পানি উঠানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। কয়েক মাইল দূরের তালুপুর থেকে হেঁটে পানি সংগ্রহ করতে হয় বাসিন্দাদের। এক নারী জানান, বিশুদ্ধ পানি আনতে দূরের এক গ্রামে যেতে হয়। অনেক সময় রান্না বা খাওয়ার পানিও ঠিকমতো পাওয়া যায় না।   নিরাপদ পানির এমন সংকট শুধু গ্রামাঞ্চলে নয়। খোদ রাজধানীর ধানমন্ডিতেও রয়েছে। এ এলাকার বাসিন্দারা জানান, ওয়াসার ময়লা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানির কথা। জুরাইন, দনিয়া, যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া ও যাত্রাবাড়ীর বাসিন্দাদের অভিযোগ তীব্র, একটাই কথা পানি সংকট। আরেকজন জানান, গন্ধযুক্ত পানি আসে, ওয়াসার লোক একদিন এসে বলে গেছেন ঠিক হয়ে যাবে, কিন্তু কিছুই হয়নি তেমনটি আছে এভাবেই চলছে দিন।  ধানমন্ডি এলাকার এক বাড়িওয়ালা জানান, ওয়াসার লোকজন এসে বলে গছে পানি আসে সায়েদাবাদ-মাওয়া থেকে। এর কোনো ব্যবস্থা হয়নি। এভাবেই যাচ্ছে দিন ময়লা পানি দিয়ে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে জনসংখ্যার প্রায় ১২ শতাংশ আর্সেনিকযুক্ত পানি ব্যবহার করে। ইউনিসেফ এর পানি ও স্যানিটেশন বিশেষজ্ঞ নার্গিস আক্তার বলেন, ১১ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকির মধ্যে আছে। গত ১০ বছরে আর্সেনিক কার্যক্রম ধীরগতিতে এগিয়েছে। অবস্থার উন্নয়নে দেশের সব জেলায় দ্রুত ওয়াটার টেস্টিং ল্যাব বসানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, আর্সেনিক যেমন আছে তেমনিভাবে স্যালাইন ওয়াটার আছে, আবার অনেক জায়গাতে কোনোভাবেই পানি পাওয়া যায় না শুষ্ক মৌসুমে। আমরা প্রতিটি জেলায় একটি একটি করে পানি টেস্টিং ল্যাব স্থাপন করছি।  ২০৩০ সালের মধ্যে প্রত্যেক নাগরিককে নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন সুবিধার আওতায় আনতে সরকার নানা উদ্যোগ নিচ্ছে বলেও জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।