• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধিতে পরিবর্তন আনছে নির্বাচন কমিশন
/ ব্যবসা-বানিজ্য
ফের অন্যান্য মুদ্রার বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের দাম বেড়েছে। এপ্রিলে দেশটিতে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষের চাকরি হয়েছে। এছাড়া অর্থনীতিবিদদের অনুমানের চেয়ে শ্রমিকদের মজুরি বেশি বেড়েছে। ফলে মার্কিন মুদ্রার মূল্য বৃদ্ধি আরো পড়ুন
করোনা ও বৈশ্বিক মন্দার প্রভাবে চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশ সরকারের সার্বিক ঘাটতি বেড়ে যাবে। এই ঘাটতি মেটাতে দেশি-বিদেশি উৎস থেকে ঋণ প্রবাহ বাড়াতে হবে। এতে ঋণও বাড়বে। ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে
বৈশ্বিক জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার কমালেও বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির হার অপরিবর্তিত রেখেছে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ)। যদিও বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির সঙ্গে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির হার কমিয়েছে বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক। আইএমএফ বলেছে, চলতি
কিছুটা কমার পর রাজধানীর বাজারগুলোতে আবার বেড়েছে চিনি ও ব্রয়লার মুরগির দাম। একই সঙ্গে বেড়েছে পাম অয়েল, হলুদ ও ধনিয়ার দাম। তবে ময়দা, খোলা সয়াবিন তেল, রসুন, এলাচ ও ডিমের
বিদেশি মুদ্রার সংকট কাটাতে আমদানিতে দেওয়া হয়েছে নানা শর্ত। এতে এলসির হার কমলেও আমদানি দায় পরিশোধ কমেনি। এখনো রপ্তানি আয়ের তুলনায় আমদানিতে খরচ করতে হচ্ছে বেশি। প্রবাসী আয়ও আশানুরূপ বাড়েনি।
পণ্যের দাম নিয়ে ক্রেতার সঙ্গে ভাঁওতাবাজি চলছে। কারসাজির মাধ্যমে বাড়ানো হয় পণ্যের দাম। পরে চাপের মুখে কমে খুবই সামান্য। ফলে বাড়তি দামেই বিক্রি হয় পণ্য। এরপর ফের দাম বাড়ানো হয়।
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি শেষ হচ্ছে আজ বুধবার। ফলে পেঁয়াজের দাম বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাই আসন্ন রমজান মাসের জন্য পেঁয়াজ আমদানির সময়সীমা বাড়ানোর দাবি জানিয়েন
আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও নিম্নমুখী হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালি ব্যাংক এবং সিগনেচার ব্যাংকের আকস্মিক পতন ঘটেছে। এছাড়া মূল্যস্ফীতি এখনও চড়া রয়েছে। ফলে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে। এতে

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।