• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

এক পয়েন্টের জন্য জিতা হলো না বাংলাদেশের

Reporter Name / ১৫২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১

শেষ হলো বাংলাদেশ আর্চারির ‘গো ফর গোল্ডে’র টোকিও মিশন। রোমান সানার পর, হতাশ হলেন দিয়া সিদ্দিকীও। রিকার্ভ নারী ইভেন্টে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেও জিততে পারলেন না দিয়া। শ্যুট অফে ৬-৫ পয়েন্টে হারলেন বেলারুশের জিওমিন্সকায়া কারিনার বিপক্ষে।

দিয়ার এ হাসিটা প্রাপ্তির নয়। বরং এর মাঝে লুকিয়ে আছে চাপা কষ্ট। খুব কাছে গিয়েও আরাধ্য কিছু না পাওয়ার বেদনা। কিন্তু, এ হাসিটাই বলে দিচ্ছে, এ পরাজয় থামিয়ে দিতে পারবে না বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা। টোকিও তো কেবল শুরু, আসছে সময়ে গো ফর গোল্ড মিশনে আরও এগোবে বাংলাদেশ। দলগত পর্বে আগেই বিদায় নেয় বাংলাদেশ। অবস্থান ছিল নবম। আশা ছিল ব্যক্তিগততে এটা ছাড়িয়ে যাবেন রোমান সানা। কিন্তু এক পয়েন্টের আক্ষেপে পোড়েন তিনি। বিদায় নেন রাউন্ড অব সিক্সটিন থেকে। ১৭ বছরের দিয়াকে নিয়ে তাই উচ্চাশা খুব একটা ছিল না, যদি, জিতে যান তাহলে সেটাই হতো বড় প্রাপ্তি। তারপরও, হারতে তো কেউ মাঠে নামে না। দিয়াই বা সেখানে ব্যতিক্রম হবেন কেন? তিনিও নেমেছিলেন বাংলাদেশের পতাকাকে শীর্ষে উড়াতে। কিন্তু, ইউমেনোশিমায় বাতাস ছিল আর্চারদের প্রতিপক্ষ। বেলারুশের কারিনার চেয়েও যা দিয়াকে বেশি ভুগিয়েছে। প্রথম রাউন্ডে দুজনের অবস্থাই তথৈবচ। কিন্তু এর মাঝেও মন্দের ভালো বাংলাদেশ। ২ সেট পয়েন্টে এগিয়ে দিয়া সিদ্দিকী। দ্বিতীয় রাউন্ডেই ঘুরে দাঁড়ান জিওমিন্সকায়া। এক পয়েন্টের ব্যবধানে সেট জিতে, সমতা ফেরান ম্যাচে। তৃতীয় রাউন্ডটা ছিল সমানে সমানে লড়াই। কেউ কাউকে ছাড় দেননি এক চুল পরিমাণ। ড্র নিয়ে সন্তুষ্ট দুজনই। চতুর্থ রাউন্ডে আবারও এগিয়ে যান বেলারুশিয়ান আর্চার। প্রথমবারের মতো ম্যাচে আধিপত্য দেখান কারিনা। একেবারেই প্রতিরোধ গড়তে পারেননি দিয়া। তবে, ফিরে আসতে সময় নেননি তিনি। শেষ রাউন্ডে পালটা আক্রমণ করে ধসিয়ে দেন কারিনাকে। ৫ রাউন্ড শেষে ৫-৫ পয়েন্টে সমতায় ম্যাচ। রাউন্ড অব থার্টি টু গড়ায় শ্যুট অফে। এক শটে নির্ধারণ হয় বেলারুশ আর বাংলাদেশের অলিম্পিক ভাগ্য। পেনাল্টিতে কারিনা ১০ মারলে, স্নায়ু চাপ বেড়ে যায় দিয়ার। সেটাকে আর সামাল দিতে পারেননি ফ্রেডেরিখ মার্টিন শিষ্য। হেরে যান এক পয়েন্টের ব্যবধানে। আরও একবার এই এক পয়েন্টে কপাল পোড়ে বাংলাদেশের।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।