• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৫১ অপরাহ্ন

ঘরে বসেই জানুন বাবা-দাদার নামে কোথায় কত জমি

Reporter Name / ৩৫ Time View
Update : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ বাবা কিংবা দাদার নামে দেশের কোথায় কতটুকু জমি রয়েছে, তা জানতে একসময় ভূমি অফিসে গিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতো। পুরোনো জমির রেকর্ড খুঁজে বের করাও ছিল বেশ ঝামেলার। তবে ভূমিসেবা ডিজিটাল হওয়ায় এখন স্মার্টফোন ব্যবহার করেই ঘরে বসে জমির খতিয়ান, দাগ নম্বর ও মালিকানাসংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য জানা সম্ভব। এমনকি অনলাইনে আবেদন করে সংগ্রহ করা যাচ্ছে খতিয়ানের সার্টিফায়েড কপিও।

অনলাইনে যেভাবে জানবেন জমির তথ্য

জমির তথ্য জানতে প্রথমে স্মার্টফোনের ব্রাউজারে ‘ই-পর্চা’ লিখে অনুসন্ধান করতে হবে। এরপর সরকারি ই-পর্চা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে মেন্যু থেকে ‘খতিয়ান’ অপশন নির্বাচন করতে হবে।

এরপর জমির বিভাগ, জেলা, খতিয়ানের ধরন, উপজেলা ও মৌজা নির্বাচন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট এলাকার রেকর্ড অনুযায়ী খতিয়ানের ধরন হিসেবে বিএস, সিএস, আরএস বা এসএ নির্বাচন করার সুযোগ রয়েছে।

পরবর্তী ধাপে খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর অথবা জমির মালিকের নাম দিয়ে অনুসন্ধান করা যাবে। প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়ার পর ক্যাপচা পূরণ করে ‘অনুসন্ধান করুন’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।

অনুসন্ধান সম্পন্ন হলে সংশ্লিষ্ট রেকর্ডে জমির মালিকের নাম, দাগ ও খতিয়ানসংক্রান্ত তথ্য এবং জমির পরিমাণ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যাবে।

খতিয়ানের সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহ করবেন যেভাবে

অনলাইনে জমির তথ্য পাওয়ার পর খতিয়ানের সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহ করতে সংশ্লিষ্ট রেকর্ডের ‘আবেদন করুন’ অপশনে যেতে হবে।

সেখানে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, জন্মতারিখ, ই-মেইল, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর দিয়ে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করে পরবর্তী ধাপে যেতে হবে এবং নির্ধারিত ফি অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে।

শুধু নাম দিয়ে কি সব জমির তথ্য পাওয়া সম্ভব?

অনলাইনে শুধু নাম ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় কোনো ব্যক্তির নামে থাকা সব জমির পূর্ণাঙ্গ তালিকা পাওয়া যায় না। কারণ জমির রেকর্ড নির্দিষ্ট এলাকা, মৌজা ও দাগ নম্বরের ভিত্তিতে সংরক্ষিত থাকে। তাই বাবা কিংবা দাদার নামে থাকা জমির খোঁজ পেতে সংশ্লিষ্ট এলাকার কিছু সুনির্দিষ্ট তথ্য জানা প্রয়োজন।

তবে অনলাইনে পাওয়া তথ্যকে জমির প্রাথমিক যাচাইয়ের মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। জমি কেনাবেচা কিংবা মালিকানা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে খতিয়ান, দলিল, নামজারিসহ সংশ্লিষ্ট সব বৈধ নথি যাচাই করে নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে পুরোনো জমির ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।