• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গোদাগাড়ীতে ফুটবল প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন পালপুর ধরমপুর জাগরণী ক্লাব রুয়েটে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর পালিত ইতিহাস গড়ে তাওহীদ হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন বিকেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির শোভাযাত্রা রাজশাহীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ৭ নভেম্বরের চেতনায় মাথা উঁচু করে বাঁচতে চায় বাংলাদেশ: ভূমিমন্ত্রী ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে রাজশাহীতে খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনা সভা ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদ-মাদরাসার উন্নয়নে মাসিক ও বছরব্যাপী কর্মসূচি নিয়েছেন বিপ্লব রহমান নাইম শাহ মখদুম (রহ.) মাদ্রাসা ও এতিমখানা পরিদর্শন করলেন রাসিক প্রশাসক

গোদাগাড়ীতে ফুটবল প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন পালপুর ধরমপুর জাগরণী ক্লাব

Reporter Name / ৯ Time View
Update : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ২৯তম একদিনের ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) গোদাগাড়ীর পালপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পালপুর ধরমপুর জাগরণী ক্লাবের আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

খেলাধুলার মাধ্যমে যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ করা, সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় আটটি জেলার আটটি দল অংশ নেয়। বিনা এন্ট্রি ফিতে আয়োজিত খেলা দেখতে সকাল থেকেই মাঠে ভিড় করেন বিপুলসংখ্যক দর্শক।

প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী জেলার আমির অধ্যাপক আব্দুল খালেক। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন। সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সভাপতি আব্দুল আল মামুন (নয়ন)। প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন ডা. মো. আশিকুজ্জামান রাসেল।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোরের রাণী ভবানী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শ্রী নিতাই চন্দ্র সরকার, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. তৌফিকুল ইসলাম হেলাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মো. সাজ্জাদ হোসেন, গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মো. হযরত আলী, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মাহবুবুল ইসলাম ও মো. আজিজুসসান উজ্জ্বল, ধরমপুর পালপুর আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান, জামায়াতের রাজশাহী জেলা শিক্ষা বিভাগের সভাপতি ড. মো. ওবায়দুল্লাহসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

দিনব্যাপী প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলা শেষে ফাইনালে বগুড়া দলকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় স্বাগতিক পালপুর ধরমপুর জাগরণী ক্লাব।

খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান। এ সময় চ্যাম্পিয়ন দলকে ট্রফিসহ এক লাখ টাকা এবং রানারআপ বগুড়া দলকে ট্রফিসহ ৭০ হাজার টাকা প্রাইজমানি দেওয়া হয়।

নুর/ এনএ


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।