• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৫১ অপরাহ্ন

আরএমপির অভিযানে ৪ মাদক ব্যবসায়ী ও ৪ সেবক গ্রেপ্তার

Reporter Name / ৪৭ Time View
Update : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মহানগর ডিবি, পবা, কাশিয়াডাঙ্গা, বোয়ালিয়া, রাজপাড়া থানা পুলিশের পৃথক পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজা, ট্যাপেন্টাডল ও ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী ও ৪ মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

গত ০৭ নভেম্বর ২০২৬ তারিখ দুপুর আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে মহানগর ডিবি পুলিশ রাজপাড়া থানার আইডি বাগানপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একই গ্রামের মৃত মধু শেখ ওরফে শুকুর শেখের ছেলে মো: রাব্বুল শেখ (৬০)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা ৯০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, আসামির বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় ২টি মাদক ও ১টি জুয়া আইনে এবং বোয়ালিয়া থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে ১টি মামলা রয়েছে।

 

অপরদিকে, পবা থানা পুলিশ গত ০৬ নভেম্বর ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক পৌনে ১২টার দিকে উলাপুর বাগধানী গ্রামের মৃত ফজল আলীর ছেলে মো: আলাউদ্দিন ওরফে টিটু (৫৫)-এর বসতবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে টিটু’কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

 

তাছাড়াও কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশ গত ০৭ নভেম্বর ২০২৬ তারিখ বিকাল আনুমানিক পৌনে ৬টার দিকে কাশিয়াডাঙ্গা মোড় এলাকায় অভিযান করে কর্ণহার থানার হুজুরীপাড়া (শিশাপাড়া) গ্রামের মৃত আবু বক্করের ছেলে মো: সোনারুল ইসলাম (৪৫)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ৪ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

 

অন্যদিকে, বোয়ালিয়া থানা পুলিশ গত ৬ নভেম্বর ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক পৌনে ১২টার দিকে কয়েরদাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বখতিয়ারাবাদ মালদা কলোনী গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে মো: রবিন (২১)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ০৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

 

এছাড়াও বোয়ালিয়া থানার বোষপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি একই তারিখ রাত আনুমানিক পৌনে ৯টার দিকে পঞ্চবটি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে শিরোইল মহলদারপাড়া গ্রামের সাপিয়ার মহলদারের ছেলে মো: সাজু (৩২), গণকপাড়া তুলাপট্টি গ্রামের মো: আকবর আলীর ছেলে মো: ছোটন (২০) এবং পাবনা জেলার ইশ্বরদী থানার ফতেহ মোহাম্মদপুর গ্রামের মো: আলমগীর হোসেন আলেমের ছেলে মো: আনাস হাসান (২০)-কে গাঁজা সেবনরত অবস্থায় গ্রেপ্তার করে। পরে বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতাল, রাজশাহীতে আসামিদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হলে চিকিৎসকের মতামতের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়।

 

এছাড়াও রাজপাড়া থানা পুলিশ গত ৭ নভেম্বর ২০২৬ তারিখ বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে আইডি বাগানপাড়া স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একই গ্রামের মৃত খন্দকার বাছির উদ্দিনের ছেলে মো: ইকবাল (৪০)-কে গাঁজা সেবনরত অবস্থায় গ্রেপ্তার করে। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহীতে আসামির স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হলে চিকিৎসকের মতামতের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়।

 

আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক পৃথক মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।