• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
যুবদলের আন্দোলনে শেখ হাসিনার পতন হয়েছে: এমপি মোবাশ্বের ফেল করা শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ কবে, জানালেন বোর্ড চেয়ারম্যান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন রাজশাহীতে মাস্টার্স ক্রিকেট কার্নিভাল-২০২৬ ঘিরে প্লেয়ার অকশন অনুষ্ঠিত রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসির পাসের হার ৪৫.০৬ শতাংশ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এ বছর পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে নরওয়ের ডেপুটি মেয়রের সাক্ষাৎ, পরিচ্ছন্ন রাজশাহীর প্রশংসা রাজশাহীতে চোরাই ২ ল্যাপটপ ও ১২ মোবাইল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ রাজশাহীতে মাদকসেবনের দায়ে ২ জনের কারাদণ্ড ও জরিমানা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ১০৫ রানে ফিরলেন সাদমান

যুবদলের আন্দোলনে শেখ হাসিনার পতন হয়েছে: এমপি মোবাশ্বের

Reporter Name / ৬ Time View
Update : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর যুবদলের নেতৃত্বেই বাংলাদেশে আন্দোলন-সংগ্রাম হয়েছে। যুবদলের আন্দোলনের মধ্য দিয়েই শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। এই যুবকরাই ১২ তারিখের নির্বাচনে তাঁকে সংসদ সদস্য বানিয়েছেন। তারাই আগামী দিনের নাঙ্গলকোট ও বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাঙ্গলকোট হাসান মেমোরিয়াল সরকারি অনার্স কলেজ মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নাঙ্গলকোট উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম মনিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া বলেন, যুবদলের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা একটু বেশি। কারণ, আজ যারা বিএনপির নেতৃত্বে রয়েছেন, তাদের অনেকেই ছাত্রদল ও যুবদলের রাজনীতি করে উঠে এসেছেন। তারা কোনো ব্যক্তির রাজনীতি করেন না, তারা জিয়া পরিবার ও ধানের শীষের রাজনীতি করেন। ১২ তারিখের নির্বাচনে সেটি প্রমাণিত হয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম—‘আপনার স্বপ্ন, আমার অঙ্গীকার’। জনগণের সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে হলে যুবদলকে দায়িত্ব দিতে হবে। এবারের যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কিছুটা ব্যতিক্রম। গত বছর এই দিনেই যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছিল। ফলে নেতাকর্মীরা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন।

দলীয় রাজনীতিতে উদারতার গুরুত্ব তুলে ধরে সংসদ সদস্য বলেন, বিরোধিতা করলে কাউকে কমিটিতে রাখা যাবে না—এমন সিদ্ধান্ত সঠিক নয়। পেছনে তাকালে দেখা যাবে, ৯০ শতাংশ মানুষ অন্য ধারার রাজনীতি করতেন। তিনি বলেন, আমি যদি কৃপণতা করতাম, তাহলে তারা আমার পাশে বসতে পারতেন না। নেতা হতে হলে উদার মনের অধিকারী হতে হবে এবং সবার জন্য দরজা উন্মুক্ত রাখতে হবে। তিনি খোলা মনে রাজনীতি করেন বলেও উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট হামিদুল হক ভূঁইয়া, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন ছোট নয়ন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কলিমুল্লাহ, উপজেলা বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম সোহাগ, পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. বাহার, উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল মমিনসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।