
প্রিয়জন ডেস্কঃ রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে চোরাই ২টি ল্যাপটপ ও ১২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন চন্দ্রিমা থানার ছোট বনগ্রামের মো: তারা মিয়া সুজনের ছেলে মো: রাব্বিল আহম্মেদ রিয়াদ (২৪), বর্তমানে মুশরইল (বাচ্চুর মোড়) এলাকায় বসবাসরত এবং একই এলাকার মো: মোকসেদ আলীর ছেলে মো. মারুফ হোসেন (২৩)।
গত ২৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ দুপুর আনুমানিক সোয়া ১টার দিকে মহানগর ডিবি পুলিশের একটি দল বোয়ালিয়া মডেল থানার মামলা নং-২৫, তারিখ ২১ নভেম্বর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দের তদন্তের সূত্র ধরে চন্দ্রিমা থানার মুশরইল (বাচ্চুর মোড়) এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে রাব্বিল আহম্মেদ রিয়াদের বসতঘর থেকে বোয়ালিয়া মডেল থানার উল্লিখিত মামলার চুরি যাওয়া একটি এইচপি এলিটবুক (কোর আই-৫) ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে আরও ১১টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মুশরইল (বাচ্চুর মোড়) এলাকার শহিদ টেলিকম অ্যান্ড মোবাইল সার্ভিসিং সেন্টার থেকে অন্য একটি মামলার চুরি যাওয়া আরও একটি এইচপি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে রাব্বিল আহম্মেদ রিয়াদ জানান, তিনি নিয়মিত চোরাই ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন বিক্রির জন্য তার বন্ধু মারুফ হোসেনের কাছে সরবরাহ করতেন। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজপাড়া থানার ঝাউতলা মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মারুফ হোসেনের হেফাজত থেকে আরও একটি চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। এভাবে গ্রেপ্তারকৃত দুজনের হেফাজত থেকে সর্বমোট ২টি ল্যাপটপ ও ১২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত দুজন আসামিসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জনের সহযোগিতায় চোরাই ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন সংগ্রহ, নিজেদের হেফাজতে রাখা এবং ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত দুজনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে চন্দ্রিমা থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।