• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৬৮৪ জন গ্রেপ্তার, ৪৪ মামলা রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ইয়াবা-ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কারাবন্দী বিএনপি নেতার পরিবারের পাশে রাসিক প্রশাসক পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক ভ্যালি বন্ধ ফেসবুকে ‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’ মন্তব্য করা যুবক আটক অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুকে দেখতে হাসপাতালে মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ রাজশাহীতে নারীসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ট্যাপেন্টাডল-গাঁজা উদ্ধার দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে রাসিক প্রশাসক, শুভেচ্ছা বিনিময় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অধিকার সমান: সমাজকল্যাণমন্ত্রী পেনাল্টি মিস, তবু গোলসংখ্যায় মেসির চেয়ে এগিয়ে রোনালদো

আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে আমিরাতের পথে বাংলাদেশ

Reporter Name / ৬১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে আমিরাতের পথে বাংলাদেশ

আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট খেলতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্দেশে দেশ ছেড়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে প্রথম বহরে কোচিং স্টাফ ও ক্রিকেটারদের একাংশ রওনা দেন।

আগামী ৯ অক্টোবর আবুধাবিতে শুরু হবে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের একমাত্র টেস্ট। ম্যাচটি সামনে রেখে এরই মধ্যে আমিরাতে পৌঁছানোর প্রস্তুতি শুরু করেছে টাইগাররা।

বৃহস্পতিবার সকালে বিমানবন্দরে হাজির হন হেড কোচ ফিল সিমন্স ও স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ। প্রথম বহরে ছিলেন ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুলসহ কোচিং প্যানেলের আরও কয়েকজন সদস্য।

কোচদের সঙ্গে প্রথম বহরে ছিলেন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার সাদমান ইসলাম, মুশফিকুর রহিম ও মুমিনুল হক। এছাড়া সহ-অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ, সৌম্য সরকার ও জাকের আলী এবং বোলারদের মধ্যে তাইজুল ইসলাম ও এবাদত হোসেনও দলের সঙ্গে গেছেন।

ট্রাভেলিং রিজার্ভ হিসেবে নাঈম হাসান, মুশফিক হাসান ও ইকবাল হোসেন ইমনও দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন।

তবে পুরোপুরি সুস্থ না হওয়ায় প্রথম বহরের সঙ্গে আমিরাতে যেতে পারেননি অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

আমিরাতে পৌঁছানোর পর দুই দিন অনুশীলন করবে বাংলাদেশ দল। এরপর দুই দিনের একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে। প্রস্তুতি ম্যাচ শেষে ৯ অক্টোবর আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে মাঠে নামবে টাইগাররা।

এদিকে এশিয়ান গেমসে অংশ নিতে বাংলাদেশ দলের কয়েকজন ক্রিকেটার বর্তমানে জাপানে রয়েছেন। এশিয়ান গেমসের খেলা শেষে তারা দেশে ফিরে আগামী ৬ অক্টোবর আমিরাতে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।