• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৬৮৪ জন গ্রেপ্তার, ৪৪ মামলা রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ইয়াবা-ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কারাবন্দী বিএনপি নেতার পরিবারের পাশে রাসিক প্রশাসক পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক ভ্যালি বন্ধ ফেসবুকে ‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’ মন্তব্য করা যুবক আটক অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুকে দেখতে হাসপাতালে মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ রাজশাহীতে নারীসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ট্যাপেন্টাডল-গাঁজা উদ্ধার দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে রাসিক প্রশাসক, শুভেচ্ছা বিনিময় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অধিকার সমান: সমাজকল্যাণমন্ত্রী পেনাল্টি মিস, তবু গোলসংখ্যায় মেসির চেয়ে এগিয়ে রোনালদো

এটিই বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয়: শান্ত

Reporter Name / ৬২ Time View
Update : রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ চারদিনে ১১ সেশনে ব্যাটার-বোলারদের দুর্দান্ত পারফরমেন্সে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আধিপত্য বিস্তার করে অসিদের মাটিতে প্রথমবারের মত টেস্ট ম্যাচ জয়ের ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ডারউইনে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টের চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় সেশনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৯ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।

টেস্ট ইতিহাসে এটিই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্ট শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শান্ত বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যেকোনো সংস্করণে এটিই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়। আমরা ভবিষ্যতে আরও বিশেষ কিছু করতে চাই। এই জয়ে আমরা দারুণ খুশি।’

প্রথম টেস্টে চারদিনে ১১ সেশন খেলা হয়েছে। সবগুলো সেশনেই অস্ট্রেলিয়ার উপর প্রাধান্য বিস্তার করে খেলেছে বাংলাদেশ। বোলারদের পর ব্যাটারদের দারুন পারফরমেন্সে প্রথম ইনিংসে ২২৮ রানের বড় লিড পায় টাইগাররা। বোলারদের মধ্যে হাসান মাহমুদ প্রথম ইনিংসে ৬ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেট শিকার করেন। ব্যাট হাতে প্রথম ইনিংসে ১০১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তানজিদ হাসান। দ্বিতীয় ইনিংসে স্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজের ৫ উইকেট বাংলাদেশকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিতে বড় অবদান রাখে।

টেস্টে বাংলাদেশের দলের পারফরমেন্স নিয়ে শান্ত বলেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের বড় পরিবর্তন হয়েছে। পাঁচ বছর আগেও পেসাররা টেস্ট খেলতে চাইত না। কিন্তু আমরা এখন অনেক টেস্ট খেলছি এবং তারাও টেস্ট ক্রিকেটকে গুরুত্ব দিচ্ছে। দলের সবাই খেলতে চায় এবং পারফর্ম করতে চায়। সবাই বিশ্বমানের হতে চায়। সবার মানসিকতাই এখন এমন। মুশফিকুর ও মোমিনুলের মতো সিনিয়ররাও সবাইকে আরও বেশি টেস্ট ক্রিকেট খেলতে উৎসাহিত করেছেন।’

ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্টে সেঞ্চুরির দেখা পান তানজিদ। ৮ চার ও ১ ছক্কায় সাজানো তানজিদের ১০১ রানের সুবাদেই প্রথম ইনিংসে বড় লিড পায় বাংলাদেশ। তানজিদের ইনিংস নিয়ে শান্ত বলেন, ‘সাধারণত সাদা বলের ক্রিকেটে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে থাকে তানজিদ। এই টেস্টে সে সাবধানে খেলেছে এবং বল অনুযায়ী শট খেলেছে। টপ অর্ডারের ব্যাটার হিসেবে আমরা চাই, তানজিদ যেন দলে প্রভাব ফেলতে পারে।’

সতীর্থদের সাথে ব্যাট হাতে প্রথম ইনিংসে হাফ-সেঞ্চুরির ইনিংস খেলেছেন অধিনায়ক শান্ত নিজেই। ৭ চার ও ১ ছক্কায় ১২৬ বলে ৮৪ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। নিজের পারফরমেন্সে গর্বিত শান্ত, ‘নিজের পারফরমেন্স নিয়ে আমি গর্বিত। ছেলেরা যেভাবে খেলেছে, তাতেও গর্বিত। আমরা অনেক পরিশ্রম করেছি।’

প্রথম টেস্টের পারফরমেন্স অব্যাহত রেখে দ্বিতীয় ম্যাচে ভালো করার কথা জানিয়েছেন শান্ত। তিনি বলেন, ‘আমাদের ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে। পাঁচ দিনই ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে। আমরা যদি সেশন ধরে ধরে খেলতে পারি ও নিচের সারির ব্যাটাররা নিয়মিত অবদান রাখতে পারে, তাহলে সব কিছুই দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।