• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
যুবদলের আন্দোলনে শেখ হাসিনার পতন হয়েছে: এমপি মোবাশ্বের ফেল করা শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ কবে, জানালেন বোর্ড চেয়ারম্যান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন রাজশাহীতে মাস্টার্স ক্রিকেট কার্নিভাল-২০২৬ ঘিরে প্লেয়ার অকশন অনুষ্ঠিত রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসির পাসের হার ৪৫.০৬ শতাংশ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এ বছর পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে নরওয়ের ডেপুটি মেয়রের সাক্ষাৎ, পরিচ্ছন্ন রাজশাহীর প্রশংসা রাজশাহীতে চোরাই ২ ল্যাপটপ ও ১২ মোবাইল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ রাজশাহীতে মাদকসেবনের দায়ে ২ জনের কারাদণ্ড ও জরিমানা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ১০৫ রানে ফিরলেন সাদমান

তীব্র গরমে শরীর ঠান্ডা রাখবে এই ৬ খাবার

Reporter Name / ৪১ Time View
Update : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ তীব্র দাবদাহে যখন জনজীবন ওষ্ঠাগত এবং চারপাশের উত্তপ্ত বাতাস দিনকে করে তোলে ক্লান্তিকর, তখন আমাদের শরীর খুঁজে ফেরে একটু স্বস্তি আর সতেজতা।

আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুযায়ী, এই সময়ে শরীরের ‘পিত্ত’ বা অভ্যন্তরীণ তাপ বেড়ে যায়, যা মেজাজ খিটখিটে করা, শরীরে ভারী ভাব আনা বা চরম ক্লান্তি তৈরির জন্য দায়ী। এই উত্তাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজন এমন কিছু খাবার যা স্বাদে মিষ্টি, তেতো বা কষায় এবং যা শরীরকে ভেতর থেকে শীতল রাখতে সাহায্য করবে।

গ্রীষ্মের এই প্রতিকূল আবহাওয়ায় নিজেকে সুস্থ ও ফুরফুরে রাখতে আপনার খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ দেওয়া এই ৬টি খাবার:

১. তরমুজ

২. শসা

শসাকে বলা যায় গ্রীষ্মকালীন খাবারের ‘নিভৃত নায়ক’। এটি একদিকে যেমন মচমচে ও হালকা, অন্যদিকে তেমনি জলসমৃদ্ধ। আয়ুর্বেদ মতে, যখন শরীর খুব সাধারণ ও সহজপাচ্য খাবার খোঁজে, তখন শসা শরীরের অতিরিক্ত তাপ কমিয়ে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি অনেকটা কঠিন রূপে শীতল জল পানের মতোই কাজ করে।

৩. নারকেল

আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে নারকেল ও ডাবের জলকে শীতলকারক এবং পিত্ত-ভারসাম্য রক্ষাকারী হিসেবে বারবার উল্লেখ করা হয়েছে। এটি শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি দেয় কিন্তু কোনো অস্বস্তিকর ভারী ভাব তৈরি করে না। গরমে সতেজতা ও আর্দ্রতা বজায় রাখতে নারকেলের জল এক অনন্য সমাধান।

৪. মৌরি

মৌরি কেবল মুখশুদ্ধি হিসেবেই নয়, বরং এটি একটি শক্তিশালী শীতলকারক উপাদান হিসেবেও পরিচিত। তীব্র গরমে অনেকেরই হজমের সমস্যা বা পেট ভার হয়ে থাকার প্রবণতা দেখা দেয়; মৌরি পিত্তের প্রকোপ কমিয়ে হজম প্রক্রিয়াকে শান্ত রাখে। খাবারের পর সামান্য মৌরি দানা চিবিয়ে খেলে শরীর ভেতর থেকে বেশ হালকা অনুভূত হয়।

৫. ধনে পাতা

সতেজ ধনে পাতা রান্নায় কোনো বাড়তি উত্তাপ যোগ না করেই এক চমৎকার সতেজতা নিয়ে আসে। এটি পিত্তের তাপ কমাতে বিশেষভাবে কার্যকর। সালাদ, চাটনি বা পানীয়তে ধনে পাতা কুচি ব্যবহার করলে তা খাবারের তীক্ষ্ণতা কমায় এবং শরীরকে শীতল রাখে।

৬. পুদিনা

ধনে ও মৌরির মতোই পুদিনাও পিত্তের উত্তাপ প্রশমনে অত্যন্ত জনপ্রিয় ভেষজ। গরমে ক্লান্তি দূর করতে এবং শরীরকে ভেতর থেকে শান্ত ও শীতল রাখতে পুদিনা সমৃদ্ধ পানীয় বা খাবার জাদুর মতো কাজ করে।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস কেবল শরীরের তাপমাত্রাই নিয়ন্ত্রণ করে না, বরং প্রতিকূল আবহাওয়ায় মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখতেও সাহায্য করে। এই গরমে সুস্থ থাকতে তাই বাজারের কৃত্রিম পানীয়র বদলে এই প্রাকৃতিক খাবারগুলোই হোক আপনার নিত্যসঙ্গী।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।