• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ফুলপুরে বাস-সেনা ট্রাক সংঘর্ষে ৩ জন নিহত, আহত অন্তত ১৩ বন্ধ হলো প্রধান উপদেষ্টার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ জাতির উদ্দেশে সন্ধ্যায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ২৫ পূর্ণমন্ত্রী–২৪ প্রতিমন্ত্রী শপথ নিলেন এনসিপির সংসদ সদস্যরা সেই চিরচেনা পোশাকে শপথ নিতে সংসদে হাসনাত সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি রুমিন সংবিধান সংস্কার কমিশনের শপথ নিলেন জামায়াত ও এনসিপির সংসদ সদস্যরা নিলে দুটো শপথ, না হলে একটিও নয় শপথ নেবে কি-না সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের এমপিরা

ফুলপুরে বাস-সেনা ট্রাক সংঘর্ষে ৩ জন নিহত, আহত অন্তত ১৩

Reporter Name / ১৯ Time View
Update : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ ময়মনসিংহের ফুলপুরে যাত্রীবাহী বাস ও সেনাবাহিনীর একটি ট্রাকের মধ্যে সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সেনাবাহিনীর ট্রাকের চালক সার্জেন্ট রেজাউল, বাসের চালক ও একজন পথচারী রয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ১৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালসহ ময়মনসিংহ মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।

আজ (বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌনে ১১টার দিকে ফুলপুর পৌরসভার বালিয়া মোড় সংলগ্ন কাকলি রাইস মিলের সামনে ময়মনসিংহ-হালুয়াঘাট সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন।

​পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ফুলপুর ক্যাম্প থেকে সেনাবাহিনীর একটি দল ট্রাকযোগে ময়মনসিংহের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। পথে বালিয়া মোড় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি শেরপুরগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ট্রাকটির সংঘর্ষ হয়। এতে বাস ও ট্রাকের সম্মুখভাগ দুমড়েমুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার সময় এক পথচারীও এর কবলে পড়ে প্রাণ হারান।

​উদ্ধারকারীরা জানায়, বাসের চালক আব্দুল বাসেতকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। অন্যদিকে, সেনাবাহিনীর ট্রাকের চালক সার্জেন্ট রেজাউলকে উদ্ধার করে তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনায় নিহত পথচারীর নাম-পরিচয় এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, দুর্ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এদিকে, দুর্ঘটনার পরপরই ময়মনসিংহ-হালুয়াঘাট সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। সেনাবাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সম্মিলিতভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে দুর্ঘটনাকবলিত যান সরিয়ে নিলে বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।