• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ভোটকেন্দ্রে ফোন ব্যবহারের সুযোগ রেখেই ইসির প্রজ্ঞাপন জারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: অবশেষে মাঠে গড়াচ্ছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতের নির্বাচনী অফিসে আগুন ভোটের ছুটিতে বাড়ি ফেরার ঢল বাস সংকট, বাড়তি ভাড়া আর যানজটে নাকাল ঘরমুখো মানুষ সন্ধ্যার মধ্যে সিদ্ধান্ত বাতিল না করলে ইসি ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি নাহিদের ভোটকেন্দ্রে ফোন নেয়ার প্রজ্ঞাপন বাতিল না হলে আগামীকাল ইসি ঘেরাও: জামায়াত আমির কেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং-জালিয়াতির আশঙ্কা হাসনাতের আজ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে ইসিতে ১১ নারী সংগঠন ক্ষমতায় গেলে নাহিদকে মন্ত্রী করা হবে: জামায়াত আমির

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: অবশেষে মাঠে গড়াচ্ছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ

Reporter Name / ২৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান দল। গতকাল (সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে প্রায় একই সময়ে পাকিস্তান সরকার ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) পৃথক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে।

এর আগে গত রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) লাহোরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলামের উপস্থিতিতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও আইসিসির প্রতিনিধিদলের বৈঠকের পর পাকিস্তান এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পাকিস্তান সরকারের বিবৃতিতে জানানো হয়, শ্রীলঙ্কা ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ একাধিক আইসিসি সদস্য দেশ ম্যাচটি বয়কট না করার জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে (পিসিবি) অনুরোধ জানায়। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে, ম্যাচটি না হলে অন্য দেশগুলোর আর্থিক ক্ষতি হবে। এছাড়া বিষয়টি নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট কুমারা দিসানায়েকের সঙ্গে আলোচনা করেন বলেও জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বহুপাক্ষিক আলোচনার ফলাফল এবং বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তান সরকার পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলকে ১৫ ফেব্রুয়ারি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নির্ধারিত ম্যাচে মাঠে নামার নির্দেশ দিচ্ছে। ক্রিকেটের চেতনা রক্ষা এবং বিশ্বব্যাপী এই খেলাটির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

আইসিসিও জানায়, আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, আইসিসি ও পিসিবির মধ্যে গঠনমূলক সংলাপ হয়েছে, যেখানে ক্রিকেটের স্বার্থ, নিরপেক্ষতা, ঐক্য ও সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। আলোচনার ফল হিসেবে আইসিসি ইভেন্টে অংশগ্রহণের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার ব্যাপারে সব সদস্য দেশ একমত হয়েছে।

এদিকে ভারতে খেলতে অস্বীকৃতি জানানোয় টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথাও জানিয়েছে আইসিসি। নিজেদের দাবিতে অটল থেকে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেললেও বাংলাদেশকে কোনো ধরনের শাস্তি বা জরিমানা করবে না আইসিসি। উল্টো বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগেই আরও একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের স্বাগতিক করা হবে বাংলাদেশকে।

এর আগে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার এই ইস্যুকে সামনে রেখে ভারত ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাকিস্তান। পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি একে আইসিসির ‘দ্বৈত নীতি’ ও ‘অবিচার’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।