এর আগে গত রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) লাহোরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলামের উপস্থিতিতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও আইসিসির প্রতিনিধিদলের বৈঠকের পর পাকিস্তান এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পাকিস্তান সরকারের বিবৃতিতে জানানো হয়, শ্রীলঙ্কা ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ একাধিক আইসিসি সদস্য দেশ ম্যাচটি বয়কট না করার জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে (পিসিবি) অনুরোধ জানায়। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে, ম্যাচটি না হলে অন্য দেশগুলোর আর্থিক ক্ষতি হবে। এছাড়া বিষয়টি নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট কুমারা দিসানায়েকের সঙ্গে আলোচনা করেন বলেও জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, বহুপাক্ষিক আলোচনার ফলাফল এবং বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তান সরকার পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলকে ১৫ ফেব্রুয়ারি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নির্ধারিত ম্যাচে মাঠে নামার নির্দেশ দিচ্ছে। ক্রিকেটের চেতনা রক্ষা এবং বিশ্বব্যাপী এই খেলাটির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
আইসিসিও জানায়, আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, আইসিসি ও পিসিবির মধ্যে গঠনমূলক সংলাপ হয়েছে, যেখানে ক্রিকেটের স্বার্থ, নিরপেক্ষতা, ঐক্য ও সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। আলোচনার ফল হিসেবে আইসিসি ইভেন্টে অংশগ্রহণের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার ব্যাপারে সব সদস্য দেশ একমত হয়েছে।
এদিকে ভারতে খেলতে অস্বীকৃতি জানানোয় টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথাও জানিয়েছে আইসিসি। নিজেদের দাবিতে অটল থেকে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেললেও বাংলাদেশকে কোনো ধরনের শাস্তি বা জরিমানা করবে না আইসিসি। উল্টো বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগেই আরও একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের স্বাগতিক করা হবে বাংলাদেশকে।
এর আগে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার এই ইস্যুকে সামনে রেখে ভারত ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাকিস্তান। পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি একে আইসিসির ‘দ্বৈত নীতি’ ও ‘অবিচার’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।





















