ঢাকা-১১ আসনের ভোটারদের উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, ‘এ আসনে দুইজন প্রার্থী আছেন। দুইজনকেই আপনারা চেনেন। নাহিদ ইসলামের জন্ম এখানে, বেড়ে ওঠা এখানে। আমি মায়ের কাছে মাসির গল্প শোনাতে চাই না। আমার থেকে নাহিদকে আপনারা ভালো চেনেন। ইনসাফের বাংলাদেশে জনগণের রায় এবং আল্লাহর মেহেরবানিতে যদি বিজয় অর্জিত হয় সেই সরকারে নাহিদ ইসলামকে অবশ্যই একজন মন্ত্রী হিসেবে দেখতে পাবেন।’
নাহিদ ইসলামের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা হাতে হাত ধরে এক সঙ্গে কাজ করবো। শুধু ঢাকা-১১ আসনের জন্য নয়। আমরা বাংলাদেশের ৫৬ হাজার বর্গমাইলের প্রতি ইঞ্চির মানুষ এবং ১৮ কোটি মানুষের ওপর পাহারাদারি করবো। ইনশাআল্লাহ। কারও সঙ্গে আমরা বেঈমানি রবো না।’
তিনি বলেন, ‘এ রক্তের সঙ্গে যারা বেঈমানি করবে বাংলাদেশ তাদের ক্ষমা করবে না। সারা বাংলাদেশ জেগে উঠেছে। যুবকরা জানিয়ে দিয়েছে বস্তা পচা রাজনীতি চাই না। যুব সমাজ রায় দিয়ে দিয়েছে। এখন জনসমাজের দায়িত্ব, তারা ১২ তারিখ রায় দিয়ে দিবে।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘একটি দল একদিকে দুর্নীতি দমনের কথা বলছে, অন্যদিকে ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন দিয়েছে। ঋণখেলাপিদের আশ্রয় দিয়ে দুর্নীতি দমন করা যাবে না। চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণ তাদের লাল কার্ড দেখাবে।’




















