• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ক্ষমতায় এলে বিএনপি দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবে: তারেক রহমান রাজশাহীতে ড্রেন থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার বিশ্বকাপ থেকে বাদ বাংলাদেশ, যা বললেন বিসিবি পরিচালকরা ‘তোমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাবো না, আমাদের বিষয়ে নাক গলাবে না’-ডা. শফিকুর রহমান আমার হাঁস আমারই চাষ করা ধান খাবে: রুমিন ফারহানা ৬ বছর পর বিপিএল ট্রফি ফিরলো ‘পদ্মার পাড়ে’ স্লোগানে মুখর ৫ নম্বর ওয়ার্ড, লাল্টুর নেতৃ্ত্বে বিএনপির নির্বাচনী মিছিল অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে ধানের শীষের সমর্থনে ৮ নং ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা রানার নেতৃত্বে প্রথম দিনের প্রচার মিছিল আ’লীগের দোসরদের প্রতীক দিলে নির্বাচন হতে দেব না রুমিন ফারহানা পেলেন হাঁস প্রতীক

‘তোমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাবো না, আমাদের বিষয়ে নাক গলাবে না’-ডা. শফিকুর রহমান

Reporter Name / ২৫ Time View
Update : রবিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ একটি দলকে উদ্দেশ করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তোমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আমরা নাক গলাবো না, আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তোমরা নাক গলাবে না। আমাদের বিষয়ে নাক অনেক গলিয়েছেন। গতকাল (‎শনিবার, ২৪ জানুয়ারি) রাতে পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এদেশে মুক্তিকামী জনতার উত্থান দেখে কেউ কেউ ফুসফাস করছে।’

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের বিচারব্যবস্থার সমালোচনা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আমাদের ১১ জন কেন্দ্রীয় নেতাকে জেলের মধ্যে ঠান্ডা মাথায় খুন করেছে ফ্যাসিস্টরা। আমিরে জামায়াত মতিউর রহমান নিজামীকে হত্যা করা হয়েছে। পাঁচবারের এমপি মাওলানা আব্দুস সোবহানকেও জেলের ভিতরে ঠান্ডা মাথায় খুন করেছে। সেদিন চোখের পানিতে পাবনায় রেখে গিয়েছিলাম। তারা যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে বিদায় নিয়েছেন, আমরাও সেই কাজ করতেছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা কি চাই সেই ফ্যাসিবাদ ফিরে আসুক। এদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠতে হবে। একসঙ্গে ১৫ বছর মজলুম ছিলাম। ৫ আগস্টের পরিবর্তনের সঙ্গে ধৈর্য ধরার চেষ্টা করেছি। প্রতিটি মানুষের হয়ে চৌকিদারের ভূমিকায় থেকেছি। আপনারা মজলুম ছিলেন, জালিমের ভূমিকায় আসবেন না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাঁদাবাজি করিনি, মামলা বাণিজ্য করেনি, দুর্নীতি করিনি। সাড়ে ৩ কোটি কর্মীর সংগঠনকে এভাবে আল্লাহর দয়া ছাড়া কেউ ঠিক রাখতে পারেনা। কেউ বলে না জামায়াতের নেতারা চাঁদাবাজ, মামলাবাজ, সন্ত্রাসী।’

‎নেতাকর্মীকে গুম ও খুন করার অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের ১ হাজারের বেশি সহকর্মীকে খুন করা হয়েছে। ৭০০ নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছে। এক মিনিটও অফিস খুলতে পারিনি। নেতৃবৃন্দের বাড়িতে বুলডোজার দিয়ে ভাঙা হয়েছে। যখন আমাদের ছেলেরা রাস্তায় নেমেছিল তখন আমরা সেজদায় ছিলাম। যারা আমাদের সর্বনাশ করেছে তাদের কাও প্রতিশোধ করব না। কাউকে মিথ্যা মামলার আসামি করা যাবে না। আমাদের আটটি মামলায় একজন আসামী। আমরা অনেক সবর করেছি।’

জামায়াতের আমির আরও বলেন, ‘৬ তারিখের পর অনেকে চাঁদা আদায় করে। ওই দখলের নাম বললে গোসা করে। এটা ভালো লক্ষণ নয়। আমরা দুঃখ বোঝার চেষ্টা করছি। আমরা চাঁদা নিবো না, যদি সরকার গঠন করি তাহলে চাঁদাবাজের হাত বন্ধ করে দিবো। আমরা তোমাদের জন্য হালাল রোজির কাজ তুলে দিবো। সম্মানের সঙ্গে চলবে, মাথা উঁচু করে চলবে। সকলের জন্য সমান আইন থাকবে। গরম ভাতে বিড়াল বেজার হলে আমাদের আসে যায় না। আধিপত্যবাদের ছায়া দেশে রাখা যাবে না। আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করিনা বস্তাপচা রাজনীতিকে লালকার্ড দেখাতে হবে।’

জাতীয় নির্বাচনের দিন অনুষ্ঠেয় গণভোটে হ্যাঁ-তে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে ‎শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণভোটে হ্যাঁ বলতে হবে। গণভোটে হ্যাঁ মানে আজাদী। ‎হ্যাঁ ভোট পরাজিত হলে সরকার গঠন হলে কিছুই হবে না। ১০ দল মানেই বাংলাদেশ সব দলকে আমরা সমান সম্মান হবে। আমরা সবাই এক। ইনসাফের দাঁড়িপাল্লাকে বন্ধ করা হয়েছিল।’

‎‎জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও পাবনা-৪ আসনের এমপি পদপ্রার্থী অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডলের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুল গাফফার খানের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।

এছাড়াও পাবনা-৫ আসনের এমপি পদপ্রার্থী প্রিন্সিপাল মাওলানা ইকবাল হোসাইন, পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ব্যরিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, পাবনা-২ আসনের এমপি পদপ্রার্থী অধ্যাপক কেএম হেসাব উদ্দিন, পাবনা-৩ আসনের জামায়াতে মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এমপি পদপ্রার্থী মাওলানা আসগর আলী, শিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগাহ, শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক সম্পাদক হাফেজ আবু মুসা প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।