• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ক্ষমতায় এলে বিএনপি দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবে: তারেক রহমান রাজশাহীতে ড্রেন থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার বিশ্বকাপ থেকে বাদ বাংলাদেশ, যা বললেন বিসিবি পরিচালকরা ‘তোমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাবো না, আমাদের বিষয়ে নাক গলাবে না’-ডা. শফিকুর রহমান আমার হাঁস আমারই চাষ করা ধান খাবে: রুমিন ফারহানা ৬ বছর পর বিপিএল ট্রফি ফিরলো ‘পদ্মার পাড়ে’ স্লোগানে মুখর ৫ নম্বর ওয়ার্ড, লাল্টুর নেতৃ্ত্বে বিএনপির নির্বাচনী মিছিল অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে ধানের শীষের সমর্থনে ৮ নং ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা রানার নেতৃত্বে প্রথম দিনের প্রচার মিছিল আ’লীগের দোসরদের প্রতীক দিলে নির্বাচন হতে দেব না রুমিন ফারহানা পেলেন হাঁস প্রতীক

৬ বছর পর বিপিএল ট্রফি ফিরলো ‘পদ্মার পাড়ে’

Reporter Name / ৭ Time View
Update : শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ নতুন নামে ফিরেই ছয় বছর পর বিপিএল শিরোপা পদ্মার পাড়ে ফেরালো রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। নিলামের টেবিল থেকে শুরু করে ফাইনাল— সবখানেই দাপট দেখিয়েছে রাজশাহী। মিরপুরে রাজশাহীর হাসিতে পর্দা নেমেছে বিপিএলের দ্বাদশ আসরের।

বিপিএলে নাম জমা দেয়ার পর থেকেই রাজশাহীকে ফেভারিট ভাবা হচ্ছিলো। ফাইনালের পর নতুন ট্রফিতে হাতটাও রেখেছে তারাই। লম্বা প্রস্তুতির ফল পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই বেশ উচ্ছ্বসিত রাজশাহীর হেড কোচ হান্নান সরকার।

তিনি বলেন, ‘টেবিলে আপনারা দেখেছেন। তারও একমাস আগে হোমওয়ার্ক শুরু হয়েছিলো। লম্বা একটি প্রসেসের ফল এটি। দুই, তিন মাসের একটি প্রোগ্রাম, আজকের দিনের জন্য অপেক্ষায় ছিলাম। আমার মনে হয় কাজ করলে ওপরে একজন আছেন সে সুফল ঠিকই দেয়।’

চ্যাম্পিয়ন হয়ে রাজশাহী ক্রিকেটারদের চোখেমুখে ছিল তৃপ্তি। টিম কম্বিনেশনের প্রশংসাই ঝরলো সবচেয়ে বেশি। ক্রিকেটাররা জানান, তারা ভালো খেলতে পেরেছেন এতে তারা অত্যন্ত খুশি। তারা কষ্ট করেছেন চ্যাম্পিয়ন হওয়াতে তাদের পরিশ্রম সার্থক হয়েছে বলে জানান তারা।

তবে বিপিএল সফলভাবে শেষ করে সবচেয়ে বেশি তৃপ্তি ছিল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য ইফতেখার মিঠুর।

তিনি বলেন, ‘এ বছর অনেক চ্যালেঞ্জ ছিলো আর সময় অনেক কম ছিলো। আপনারা জানেন ম্যাচ দুইবার করে বন্ধ করতে হয়েছে তারপরেও এত ভালোভাবে শেষ হয়েছে, আজকে দর্শক ছিলো ফুল হাউজ। সুতরাং এবছর আমরা যা যা ভুল করেছি সামনের বছর আমরা সেগুলো থেকে শিখে আরও ভালো করার চেষ্টা করবো।’

২৮ দিনের ক্রিকেটীয় লড়াইয়ের পর শেষ হলো বিপিএল। তাতে চট্টগ্রামকে বিষাদের নীলে পুড়িয়ে কমলা উৎসবে মাতলো রাজশাহী।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।