• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা

এনসিএল টি-টোয়েন্টি ফাইনালে আজ রংপুরের বিপক্ষে মাঠে নামছে খুলনা

Reporter Name / ৯০ Time View
Update : রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ এনসিএলের গত আসর খুব তাড়াহুড়ো করে সম্পন্ন হলেও এবার বিশেষভাবে নজর দিয়েছে বিসিবি। এনসিএল টি-টোয়েন্টির দ্বিতীয় আসরের ফাইনালে রংপুরের বিপক্ষে মাঠে নামছে খুলনা। এরই মাঝে ম্যাচটিকে ঘিরে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন।

আজ (রোববার, ১২ অক্টোবর) বিকেলে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল ম্যাচ। ফাইনালের আগে ক্যাপ্টেনস মিটের জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে উপস্থিত হয়েছিলেন দুই দলের অধিনায়ক।

সেখানে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে জয়ের প্রত্যাশা ব্যক্ত করছেন খুলনার অধিনায়ক মোহম্মদ মিথুন আর ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন রংপুরে অধিনায়ক আকবর আলী গতবারের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চান।

সাদা বলের সংক্ষিপ্ত এ সংস্করণের প্রথম আসরে ঢাকাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো রংপুর। এবারও শিরোপার দাবিদার দলটি। ফাইনালের আগে ক্যাপ্টেনস মিটে এসে নিজেদের প্রত্যাশার পাশাপাশি বিপক্ষ দলকে সমীহ করেই কথা বললেন খুলনার অধিনায়ক।

খুলনা বিভাগের অধিনায়ক মোহাম্মদ মিথুন বলেন, ‘রংপুর শেষ কিছু ম্যাচ খুবই ভালো খেলেছে। ওরা খুব ভালো টিম। ওদের প্রতি সেই শ্রদ্ধাটা সবসময় থাকবে। একইসাথে আমাদের টিমটাও খুবই ভালো, অভিজ্ঞ। প্রথমদিন থেকেই আমাদের দলের সকল সদস্যের মধ্যে এ জিনিস কাজ করছে যে এবারের ট্রফি আমরা জিততে চাই।’

অন্যদিকে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা উঁচিয়ে ধরতে চান রংপুরের অধিনায়ক আকবর আলীও। দল নিয়ে পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসী তিনি।

রংপুর বিভাগের অধিনায়ক আকবর আলী বলেন, ‘আল্টিমেট গোল তো অবশ্যই থাকবে চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য। তবে এটা একটু কঠিনও। প্রতিটা ম্যাচ ধরে ধরে এগোনোই ভালো। আমরা প্রথমে ভেবেছিলাম টপ টুতে যেন আমরা শেষ করতে পারি। সেটা হয়নি কিন্তু এখন আমার মনে হয় আমরা মোমেন্টামটা পেয়েছি। আমাদের চেষ্টা থাকবে একটা নরমাল ম্যাচের মতো প্ল্যান করা এবং ওদের ওপর এক্সিকিউট করার চেষ্টা করা।’

আসরটিতে ৮ ইনিংসে এখন পর্যন্ত ২০৩ রান করে তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবে আছেন রংপুরের অধিনায়ক আকবর। অন্যদিকে ইনিংস খেলে খুলনার আনামুল হক বিজয়ও আছেন সেরা দশের মধ্যে। ফাইনালে তাই আলাদা নজর থাকবে এই ব্যাটসম্যানের উপরে।

অন্যদিকে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে খুলনাকে জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন নাসির হোসেন। পেয়েছেন অর্ধশতকের দেখা, হয়েছেন ম্যাচ সেরা। তাই ফাইনালে তার উপরও বাড়তি নজর থাকবে দর্শকদের। বোলিং-ব্যাটিং নৈপুণ্য দেখিয়ে কারা হবেন এবারের আসরে শিরোপাধারী দল তাই এখন দেখার বিষয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।