• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানির মৃত্যু নিশ্চিত করলো ইরান: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজিকে আইনি নোটিশ রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানা এলাকা হতে ২১টি ককটেল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৫। টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু আজ

আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ

Reporter Name / ১৩৭ Time View
Update : সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ ৬ উইকেটে হারিয়েছে আফগানিস্তানকে। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে আফগানদের যথাক্রমে- ৪ ও ২ উইকেটে হারিয়েছিল টাইগাররা। ফলে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতল জাকের আলির দল। ২০১৮ সালে ভারতের দেরাদুনে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে আফগানিস্তানের কাছে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল বাংলাদেশ। সাত বছর পর ঐ হোয়াইটওয়াশের প্রতিশোধ নিল টাইগাররা।

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ২ ওভারে ২০ রান তুলে ফেলে আফগানিস্তানের দুই ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরান। তৃতীয় ওভারের শুরুতে জাদরানকে ৭ রানে থামিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম উইকেট এনে দেন পেসার শরিফুল ইসলাম। পরের ওভারে গুরবাজকে ১২ রানে বিদায় করেন স্পিনার নাসুম আহমেদ।

দুই ওপেনারের পর, পাওয়ার প্লের শেষ বলে তৃতীয় উইকেটের দেখা পায় বাংলাদেশ। ওয়াফিউল্লাহ তারাখিলকে ১১ রানে বোল্ড করেন পেসার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।

৩৯ রানে ৩ উইকেট পতনের পর জুটি গড়ার চেষ্টা করেন সেদিকুল্লাহ আতাল ও দারউইশ রাসুলি। ২৫ বলে ৩৪ রান যোগ করে বিচ্ছিন্ন হন তারা। ১টি করে চার-ছক্কায় ২৩ বলে ২৮ রানে সাইফুদ্দিনের দ্বিতীয় শিকার হন আতাল।

দলীয় ৭৩ রানে চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে আতাল ফেরার পর মিনি ধস নামে আফগানিস্তানে ব্যাটিংয়ে। ২৫ রানে ৫ ব্যাটারকে হারালে ৮ উইকেটে ৯৮ রানে পরিণত হয় আফগানরা।

দ্রুত গুটিয়ে যাবার শঙ্কায় পড়া আফগানিস্তানকে রক্ষা করেন রাসুলি ও মুজিব উর রহমান। নবম উইকেটে ২২ বলে ৩৪ রান যোগ করে আফগানিস্তানকে লড়াকু পুঁজির পথ দেখান তারা। ২ চার ও ১ ছক্কায় ২৯ বলে ৩২ রান করে রাসুলি ১৯তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ফিরলেও, আফগানদের ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৪৩ রানের সংগ্রহ এনে দেন মুজিব ও বশির আহমাদ। শেষ উইকেটে ১০ বলে অবিচ্ছিন্ন ১১ রান যোগ করেন তারা।

৪টি চারে ১৮ বলে ২৩ রানে মুজিব ও বশির ২ রানে অপরাজিত থাকেন।

বাংলাদেশের সাইফুদ্দিন ১৫ রানে ৩টি, নাসুম-তানজিম ২টি করে এবং শরিফুল-রিশাদ ১টি করে উইকেট শিকার করেন।

জবাবে ৪ ওভারে ২৪ রান তুলে বাংলাদেশকে ভাল শুরু এনে দেন দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ও তানজিদ হাসান। ১টি করে চার-ছক্কায় ১৬ বলে ১৪ রান করে প্রথম ব্যাটার হিসেবে আউট হন ইমন।

ইমন ফেরার পর রানের গতি বাড়ান তানজিদ ও তিন নম্বরে নামা সাইফ হাসান। ৩৯ বলে ৫৫ রান যোগ করে বিচ্ছিন্ন হন তারা। ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় ৩৩ বলে ৩৩ রান করে সাজঘরে ফিরেন একবার জীবন পাওয়া তানজিদ।

দলীয় ৭৯ রানে তানজিদের বিদায়ে ক্রিজে আসেন অধিনায়ক জাকের আলি। সাইফের সাথে ১৯ বলে ৩০ রানের জুটিতে ১৩তম ওভারে বাংলাদেশের রান ১শ পার করেন জাকের।

১৪তম ওভারের শেষ দুই বলে জোড়া উইকেট তুলে নিয়ে আফগানিস্তানকে ম্যাচে ফেরার পথ দেখান স্পিনার মুজিব উর রহমান। জাকের ১০ ও শামীম হোসেন খালি হাতে বিদায় নেন।

১০৯ রানে জাকের-শামীম ফেরার সময় শেষ ৬ ওভারে ৩৫ রান দরকার পড়ে বাংলাদেশের। পঞ্চম উইকেটে ২৪ বলে ৩৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ১২ বল হাতে রেখে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন সাইফ ও নুরুল হাসান।

৩২ বলে টি-টোয়েন্টিতে চতুর্থ হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নিয়ে ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন সাইফ। তার ৩৮ বলের ইনিংসে ২টি চার ও ৭টি ছক্কা ছিল। নুরুল ৯ বলে ১০ রানে অপরাজিত থাকেন।

আফগানিস্তানের মুজিব ২ উইকেট নেন।

আগামী ৮ অক্টোবর থেকে আবু ধাবিতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু করবে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।