• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি

মেসির হ্যাটট্রিক অ্যাসিস্টে মায়ামির দাপুটে জয়

Reporter Name / ৮৮ Time View
Update : রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) আগের দুই ম্যাচে মাত্র ১ পয়েন্ট পেয়েছিল ইন্টার মায়ামি। হতাশা পেছনে ফেলে লিওনেল মেসির অ্যাসিস্টের হ্যাটট্রিকে আজ (৫ অক্টোবর) জয়ে ফিরেছে ইন্টার মায়ামি। নিউ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মায়ামির জয় ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে। এদিন মায়ামির হয়ে জোড়া গোল করেছেন তাদেও আয়েন্দে ও জর্দি আলবা।

তবে বড় ব্যবধানে জিতলেও হতাশা নিয়ে মাঠ ছেড়েছে মায়ামি। একই দিন অন্য ম্যাচে নিউইয়র্ক সিটিকে ১-০ গোলে হারিয়েছে ফিলাডেলফিয়া। এর মাধ্যমে মায়ামিকে পেছনে ফেলে সাপোর্টার্স শিল্ড জিতে নিয়েছে তারা। মেজর লিগ সকারে সর্বোচ্চ পয়েন্ট পাওয়া দলকে সাপোর্টার্স শিল্ড দেওয়া হয়। গত বছর এই পুরস্কার জিতেছিল মায়ামি।

আগের ম্যাচে শিকাগো ফায়ারের বিপক্ষে হারের পরই মায়ামির শিরোপা হাতছাড়া হওয়াটা প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়। শিল্ড জেতার জন্য নিজেদের শেষ দুই ম্যাচের একটি জিতলেই চলত ফিলাডেলফিয়ার। তবে অপেক্ষা না করে আজই সেই জয় নিশ্চিত করেছে দলটি। এ জয়ের পর শীর্ষে থাকা ফিলাডেলফিয়ার পয়েন্ট ৩৩ ম্যাচে ৬৬। ৩ নম্বরে থাকা মায়ামির পয়েন্ট ৩২ ম্যাচে ৫৯।

এখন শেষ দুই ম্যাচে জিতলেও ফিলাডেলফিয়াকে ছুঁতে পারবে না মায়ামি। অন্যদিকে ৩৩ ম্যাচে ৬২ পয়েন্ট নিয়ে ২ নম্বরে আছে সিনসিনাটি। তাদের পক্ষেও ফিলাডেলফিয়াকে ছোঁয়ার সুযোগ নেই। ফলে সাপোর্টার্স শিল্ড নিজেদের করে নিয়েছে দলটি। এটি ফিলাডেলফিয়ার দ্বিতীয় শিল্ড জয়। এর আগে ২০২০ সালে শিল্ড জিতেছিল তারা।

আজ ঘরের মাঠ চেজ স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় মায়ামি। ৩২ মিনিটে এর ফলও পায় তারা। বক্সের বাইরে থেকে মেসির দারুণ এক পাস ধরে গোল করেন আয়েন্দে। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দেখা যায় মেসি-আলবা জুটি। বক্সের ভেতর মেসির পাস থেকে গোল করেন আলবা। বিরতির পর ৫৯ মিনিটে নিউ ইংল্যান্ডের হয়ে ব্যবধান ২-১ করেন ডোর টুরগেমেন।

তবে এক মিনিট পর আবারও দেখা যায় মেসি-ঝলক। এবার প্রায় মাঝমাঠ থেকে দারুণভাবে বল বাড়ান মেসি। সেটি ধরে ডিফেন্ডারের ফাঁদ এড়িয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন আয়েন্দে। ম্যাচের ৬৩ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের চতুর্থ গোল করেন আলবা। এদিন ম্যাচ সমাপ্ত হওয়ার পর মৌসুম শেষে ফুটবল থেকে অবসর নিতে যাওয়া সার্জিও বুসকেৎসকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।