• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানির মৃত্যু নিশ্চিত করলো ইরান: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজিকে আইনি নোটিশ রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানা এলাকা হতে ২১টি ককটেল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৫। টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু আজ

আফগানিস্তানকে ২ উইকেটে হারিয়ে সিরিজ জয় বাংলাদেশের

Reporter Name / ১০৪ Time View
Update : শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ সোহান-শরিফুল নৈপুণ্যে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানকে ২ উইকেটে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ। একইসঙ্গে, হাতছানি দিচ্ছে হোয়াইটওয়াশের স্বপ্ন। ম্যাচে কিপ্টে বোলিংয়ের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্যাট করতে নেমে দলের জয়ে অবদান রাখায় ম্যাচসেরা হয়েছেন শরিফুল ইসলাম।

শারজায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ২ উইকেটে জয় বাংলাদেশের। ১ ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করায় টাইগারদের আনন্দ উদযাপন।

১৪৮ রানের টার্গেট। টি-টোয়েন্টিতে যা মোটেও বড় লক্ষ্য নয়। তবে এদিন শুরুতেই ব্যাট হাতে হতাশ করেছেন বাংলাদেশি টপ অর্ডার। প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত করা তানজিদ তামিম-পারভেজ ইমনরা স্পর্শ করতে পারেননি দুই অঙ্কের সংখ্যা। ভালো শুরু পাওয়া সাইফ হাসান ফেরেন ব্যক্তিগত ১৮ রান করে। মাত্র ২৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ।

সেই চাপ কিছুটা হলেও সামাল দিয়েছেন শামীম পাটোয়ারি ও অধিনায়ক জাকের আলি অনিক। দুজন মিলে অর্ধশতকের বেশি রানের জুটি উপহার দেন বাংলাদেশকে। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি জাকের। ৩২ রান করে সাজঘরে ফিরতে হয় জাকেরকে। এরপর শামীম আউট হলে হারের শঙ্কা জেকে বসে টাইগার শিবিরে। মাত্র ৭ রানের মাথায় আরও ৩ উইকেট হারালে সেই শঙ্কা আরও বেড়ে যায় বাংলাদেশের।

তবে একপাশ আগলে রাখা নুরুল হাসান সোহান শেষ পর্যন্ত দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে টিকে থাকেন ক্রিজে। শেষদিকে শরিফুল নেমেই হাঁকান বাউন্ডারি। যেন হাফ ছেড়ে বাঁচে বাংলাদেশের সমর্থকরা। শেষ পর্যন্ত ২ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠে ছাড়েন শরিফুল আর সোহান।

এর আগে, প্রথমে ব্যাট করার আমন্ত্রণ পেয়ে শুরুটা ভালোই করেন আফগান দুই ওপেনার সেদিকুল্লাহ আতাল ও ইব্রাহিম জাদরান। তবে বাংলাদেশি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সুবিধা করতে পারেনি আফগানিস্তান। আফগানদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৮ রানের ইনিংস খেলেন ওপেনার জাদরান। বাংলাদেশের হয়ে দুটি করে উইকেট শিকার করেন নাসুম ও রিশাদ। ৪ ওভার বল করে ১৩ রান দিয়ে এক উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম।

কিপ্টে বোলিং আর গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্যাট হাতে অবদান রাখায় ম্যাচসেরা হয়েছেন দলে প্রত্যাবর্তন করা পেসার শরিফুল ইসলাম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।